📌 বগুড়ার হারুনার রশিদ হারুন নামের একজন ব্যক্তি পুলিশের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করে আওয়ামী লীগ নেতাদের ধরে দেবার অভিযোগে অভিযুক্ত হন। স্থানীয়রা দাবি করেন, তিনি পুলিশের সহায়তায় আ.লীগ নেতাদের গ্রেপ্তার করে টাকা নিচ্ছেন। ঘটনাটি ঘটে এরুলিয়া ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি গ্রামে
বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি গ্রামে পুলিশের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে অভিযুক্ত হন হারুনার রশিদ হারুন (৪২)। স্থানীয়রা দাবি করছেন, তিনি আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের তালিকা সংগ্রহ করে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করছেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২৮ সেপ্টেম্বর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হারুনার রশিদ হারুন (৪২) পুলিশের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তিনি মৃত কামরুজ্জামান ঘটুরের ছেলে এবং ঘোলাগাড়ি গ্রামের বাসিন্দা।
- 📌 অভিযোগ, হারুন গত ২৮ সেপ্টেম্বর টাকা না দেওয়ায় আ.লীগের দুই নেতাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন। স্থানীয়রা দাবি করেন, পুলিশের এক কর্মকর্তাও এই ঘটনায় জড়িত ছিলেন।
- 📌 ৭০ বছরের বেশি বয়সী দিনমজুর আবুল কাশেমের কথায়, হারুন ফোন করে জানিয়েছিলেন, আ.লীগের কমিটিতে তার নাম আছে এবং পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যেতে পারে। তিনি ২ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।
- 📌 পল্লিচিকিৎসক আব্দুর রহিম ফারুক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সম্পাদক। তার স্ত্রী মনিকা বেগমের কথায়, হারুন তাঁর স্বামীর কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় পুলিশ তাঁর স্বামী ও আরেক পল্লিচিকিৎসক ফজলার রহমান মিলুকেকে গ্রেপ্তার করে।
- 📌 থানায় গিয়ে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার কথা বলে মামলা ‘নরমাল’ করার চেষ্টা করা হয়। পরে জানা যায়, তাঁদের ২০২৪ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 হারুন দাবি করেন, পুলিশ তাকে আ.লীগের নেতাদের ধরে দিতে বলেছে। তবে টাকা দাবির অভিযোগ স্বীকার করলেও তিনি দাবি করেন, কেউ তাকে টাকা দিয়েছেন এমন প্রমাণ নেই।
- 📌 সদর থানার এসআই আবু সালেহ মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, আ.লীগের নেতাদের গ্রেপ্তারের চাপ থাকায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি।
- 📌 ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলাম মিরাজের কথায়, হারুন কখনো যুবদল করেনি। তিনি দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করছেন।
📰 বিস্তারিত
বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের ঘোলাগাড়ি গ্রামে পুলিশের ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগে অভিযুক্ত হন হারুনার রশিদ হারুন। স্থানীয়রা দাবি করছেন, হারুন আত্মগোপনে থাকা আ.লীগের নেতা-কর্মীদের তালিকা সংগ্রহ করে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবি করছেন। ঘটনাটি ঘটে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত দেড়টার দিকে।
৭০ বছরের বেশি বয়সী দিনমজুর আবুল কাশেমের কথায়, হারুন ফোন করে জানিয়েছিলেন, আ.লীগের কমিটিতে তার নাম আছে এবং পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যেতে পারে। তিনি ২ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। অন্যদিকে, পল্লিচিকিৎসক আব্দুর রহিম ফারুক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সম্পাদক। তার স্ত্রী মনিকা বেগমের কথায়, হারুন তাঁর স্বামীর কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করে। টাকা না দেওয়ায় পুলিশ তাঁর স্বামী ও আরেক পল্লিচিকিৎসক ফজলার রহমান মিলুকেকে গ্রেপ্তার করে।
থানায় গিয়ে মামলা ‘নরমাল’ করার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার কথা বলে দাবি করেন মনিকা বেগম। পরে জানা যায়, তাঁদের ২০২৪ সালের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হারুন দাবি করেন, পুলিশ তাকে আ.লীগের নেতাদের ধরে দিতে বলেছে। তবে টাকা দাবির অভিযোগ স্বীকার করলেও তিনি দাবি করেন, কেউ তাকে টাকা দিয়েছেন এমন প্রমাণ নেই।
সদর থানার এসআই আবু সালেহ মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, আ.লীগের নেতাদের গ্রেপ্তারের চাপ থাকায় ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। তিনি বলেন, হারুন আ.লীগের লোকজনকে ফোন করে টাকা দাবি করছে, এমন অডিও রেকর্ডিং তাঁরা পেয়েছেন। এ বিষয়ে হারুনকে সতর্কও করা হয়েছে।
ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলাম মিরাজের কথায়, হারুন কখনো যুবদল করেনি। তিনি দলের নাম ভাঙিয়ে সে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, হারুন নিজে অফিস বানিয়ে দলীয় নেতাদের ছবি টানিয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন।
"হারুন কোনো দিনই যুবদল করেনি। দলের নাম ভাঙিয়ে সে অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে।"
— ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলাম মিরাজ
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া সদর উপজেলা, এরুলিয়া ইউনিয়ন, ঘোলাগাড়ি গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হারুনার রশিদ হারুন (৪২), আবুল কাশেম (৭০+), আব্দুর রহিম ফারুক, মনিকা বেগম, ফজলার রহমান মিলুক, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪২ বছর, ২৮ সেপ্টেম্বর, ৭০ বছর, ২ হাজার টাকা, ৫ হাজার টাকা, ৫০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!