📌 বগুড়ার নতুন জেলা জজ মনিরুজ্জামানের প্রথম দিনেই আদালতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তি ঘটে। আইনজীবী সমিতির নেতারা মানববন্ধন করে পদায়ন বাতিলের দাবি জানান। বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
বগুড়ার নতুন জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের প্রথম দিনেই আদালতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বুধবার দুপুরে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়লে বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বগুড়ার নতুন জেলা জজ মো. মনিরুজ্জামানের প্রথম দিনেই আদালতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও ধস্তাধস্তি ঘটে
- 📌 আইনজীবী সমিতির নেতারা আদালতের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করে পদায়ন বাতিলের দাবি জানান
- 📌 বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন; পরে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে
- 📌 আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আইনজীবীদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়, পরে তা হট্টগোলে পরিণত হয়
- 📌 আইনজীবী আবদুল ওহাব মন্তব্য করেন, দীর্ঘদিন স্থায়ী জেলা জজ না থাকায় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছিল
📰 বিস্তারিত
বগুড়ার নতুন জেলা ও দায়রা জজ মো. মনিরুজ্জামানের প্রথম দিনেই আইনজীবীদের বিরোধিতার মুখে পড়েন। বুধবার দুপুরে আদালতে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার সময় আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোল, বাগ্বিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিচারক শুনানি স্থগিত করে এজলাস ত্যাগ করেন। পরে পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এজলাসে যাওয়ার আগে নতুন জেলা জজের পদায়ন বাতিলের দাবিতে আদালতের প্রধান ফটকের সামনে মানববন্ধন করেন জেলা আইনজীবী সমিতির নেতারা। তাঁদের অভিযোগ, মো. মনিরুজ্জামান আগে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তখন তাঁর বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে তাঁকে বগুড়া থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।
আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, মো. মনিরুজ্জামানকে বগুড়ার জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়নের খবর পেয়ে তাঁরা সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। এরপরও তাঁকে বগুড়ায় পদায়ন করা হয়েছে। এই পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
আইনজীবী আবদুল ওহাব, যিনি শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী, মন্তব্য করেন, দীর্ঘদিন বগুড়ায় স্থায়ী জেলা জজ না থাকায় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছিল। আইন মন্ত্রণালয় মো. মনিরুজ্জামানকে জেলা জজ হিসেবে বগুড়ায় পদায়ন করেছে। তাঁর ভাষ্য, আজ বিচারিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর একটি মামলার শুনানি হয়। এরপর আরেকটি মামলার শুনানি শুরু হলে আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হট্টগোল সৃষ্টি করেন।
"আইনজীবী ও আদালতের কর্মচারীদের আন্দোলনের মুখে তাঁকে বগুড়া থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল। এই পদায়ন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব"
"দীর্ঘদিন বগুড়ায় স্থায়ী জেলা জজ না থাকায় আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি হচ্ছিল"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মনিরুজ্জামান, মো. রফিকুল ইসলাম, আবদুল ওহাব
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!