📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের কারাগারে নির্যাতনের অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে বগুড়া জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ। তারা অভিযোগের কোনো প্রমাণ না থাকায় ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে উল্লেখ করেছে
বগুড়া জেলা কারাগারের বিরুদ্ধে নির্যাতন ও অসদাচরণের অভিযোগ তুলে সাবেক জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীরের দাবিকে ‘ভিত্তিহীন’ ও ‘বাস্তবতা বিবর্জিত’ বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বগুড়া জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তানভীরের উত্থাপিত অভিযোগের কোনো প্রমাণ বা সাক্ষ্য পাওয়া যায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজী সালাউদ্দীন তানভীর ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগারে থাকাকালীন নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষ তা ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছে।
- 📌 কর্তৃপক্ষ দাবি, তানভীরের ওপর কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন ঘটেনি এবং তাকে কারাগার থেকে রাতের বেলায় বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়নি।
- 📌 তানভীরের দাবি, তাকে অপরিচ্ছন্ন সেলে রাখা হয় এবং অজ্ঞাত ওষুধ ও ৭০ থেকে ৮০টি ইনজেকশন দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ এসব অভিযোগকে ‘সম্পূর্ণ অসত্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
- 📌 তানভীর ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ তুলেছিলেন, কিন্তু কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণের দাবি করা হয়েছে।
- 📌 কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তানভীরকে ৫ আগস্ট বগুড়া জেলা কারাগারে আটক করা হয়, পরে অসুস্থতার কারণে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
📰 বিস্তারিত
জাতীয় নাগরিক পার্টির সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দীন তানভীর শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বগুড়া জেলা কারাগারের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেন, ৫ আগস্ট থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কারাগারে থাকাকালীন তার ওপর নির্যাতন করা হয়েছে। তানভীরের অভিযোগ মোতাবেক, তাকে অপরিচ্ছন্ন ও আলো-বাতাসহীন সেলে রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতন করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, কারাগারে আওয়ামী লীগের নেতাদের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় এবং তাদের রাতে গাড়িতে করে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়।
বগুড়া জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, তানভীরের উত্থাপিত অভিযোগের কোনো প্রমাণ বা নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। তারা দাবি করেছে, বগুড়া জেলা কারাগারে কোনো বন্দিকে রাতের বেলায় বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষের মতে, তানভীরের ওপর কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন ঘটেনি।
তানভীরের অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ, নথি, ভিডিও, অডিও বা সাক্ষ্য না থাকায় কর্তৃপক্ষ তাকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা আরও জানিয়েছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে কারাগারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। কর্তৃপক্ষ তানভীরের পক্ষ থেকে প্রমাণের দাবি করেছে এবং প্রকৃত তথ্য যাচাই না করে কারাগারের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছে।
"গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে আমরা নিশ্চিত হয়েছে যে, বগুড়া জেলা কারাগারে তার ওপর কোনো ধরনের শারীরিক বা মানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া জেলা কারাগার, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিয়ন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গাজী সালাউদ্দীন তানভীর, বগুড়া জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ আগস্ট, ৭ সেপ্টেম্বর, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ৭০-৮০টি ইনজেকশন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!