📌 বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা ৯টি জাল দাখিলা শনাক্ত হয়। জাল দাখিলা প্রমাণিত হওয়ায় রেজিস্ট্রি স্থগিত করা হয়েছে এবং সব কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমি রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা ৯টি জাল দাখিলা শনাক্ত হওয়ায় রেজিস্ট্রি স্থগিত করা হয়েছে। জাল দাখিলাগুলো জব্দ করা হয়েছে এবং দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লিখিত জবাব চাওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাগেরহাট চিতলমারী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ৯টি জাল ভূমি উন্নয়ন করের রশিদ শনাক্ত
- 📌 জাল দাখিলা প্রমাণিত হওয়ায় ৯টি জমির রেজিস্ট্রি স্থগিত করা হয়েছে
- 📌 জাল দাখিলাসহ সব কাগজপত্র জব্দ করা হয়েছে
- 📌 দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেনের কাছে আগামী বুধবার জবাব দিতে বলা হয়েছে
- 📌 বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির রেজিস্ট্রি প্রক্রিয়ায় জাল দাখিলা ব্যবহৃত হয়েছিল
- 📌 জমির দাতা শাকিরুল বেগম ও গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী জাল দাখিলা সংগ্রহের জন্য ১৬ হাজার টাকা খরচ করেছেন
- 📌 দলিল লেখক সুব্রত রায় ও মুন্সি দেলোয়ার হোসেন জাল দাখিলা দাখিলের দায়িত্বে থাকেন
📰 বিস্তারিত
চিতলমারী উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার সমীর কর্মকার জানান, বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির রেজিস্ট্রি করার জন্য ৯টি জাল দাখিলা দাখিল করেছিলেন। খতিয়ান নম্বর ৮৫৫, ৬৫৯, ৪৮৩, ৪২৩, ৩৭৫, ৫১, ৩৭১, ১৩১ ও ৬৫৮-এর দাখিলা নম্বর ৪৭১২২৬১৭৫৩৪০, ৪৭১২২৬১৭৫৬৮৭, ৪৭১২২৬১৭৬৮৩৪, ৪৭১২২৬১৭৫৩২৫, ৪৭১২২৬১৭৬৮৯৮, ৪৭১২২৬১৭৫৪০২, ৪৭১২২৬১৭৫৬৮৭, ৪৭১২২৬১৭৫৬০১ ও ৪৭১২২৬১৭৫৫৯৫ জাল বলে প্রমাণিত হয়।
দলিল লেখক মুন্সি দেলোয়ার হোসেন জানান, তার সহকারী দলিল লেখক সুব্রত রায় ওই দাখিলাগুলো তার কাছে পাঠিয়েছিলেন। তিনি স্বাক্ষর করে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য উপস্থাপন করেছিলেন। দলিল লেখক সুব্রত রায় বলেন, বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির দাতা শাকিরুল বেগম ও গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী জমিটি রেজিস্ট্রি করার জন্য তাদের কাছে এসেছিলেন। মাসুম কাজী ওই দাখিলাগুলো সংগ্রহের জন্য ১৬ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন।
গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী জানান, বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমিটি সাড়ে ৫ লাখ টাকায় কেনার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। দলিল লেখক থেকে ৮১ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং জাল দাখিলা সংগ্রহের জন্য ১৬ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছিল।
"আমি সহকারী দলিল লেখক সুব্রত রায় ওই দাখিলাগুলো আমাকে দেন। নথিতে স্বাক্ষর করে দলিলটি রেজিস্ট্রির জন্য আমি সাব-রেজিস্ট্রারের সামনে উপস্থাপন করি।"
"বোয়ালিয়া মৌজার ১৫ শতক জমির দাতা শাকিরুল বেগম ও গ্রহীতা মো. মাসুম কাজী জমিটি রেজিস্ট্রি করার জন্য আমাদের কাছে আসেন। মাসুম কাজী ওই দাখিলাগুলোসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমাদের সরবরাহ করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চিতলমারী উপজেলা, বাগেরহাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুন্সি দেলোয়ার হোসেন, সুব্রত রায়, মো. মাসুম কাজী, শাকিরুল বেগম, সমীর কর্মকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯টি জাল দাখিলা, ১৫ শতক জমি, ৮১ হাজার টাকা, ১৬ হাজার টাকা, ৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!