📌 বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভূমিমালিকদের দাবি অনুযায়ী, তিনি ১ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিনিময়ে ৪ লাখ টাকার বকেয়া খাজনা ৬ হাজার টাকায় কমিয়ে দিয়েছেন। কর্মকর্তা দাবি করেছেন, অভিযোগ মিথ্যা এবং অনলাইন সিস্টেমে এমন পরিবর্তন সম্ভব নয়
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভূমিমালিকদের দাবি অনুযায়ী, তিনি ১ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিনিময়ে ৪ লাখ টাকার বকেয়া খাজনা মাত্র ৬ হাজার টাকায় কমিয়ে দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
- 📌 ১৭৯৪ দাগের একর ৯০ শতাংশ ভূমির ৪৯ বছরের বকেয়া খাজনা ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯০৭ টাকা, কিন্তু ঘুষ নেওয়ার পর তা ৬ হাজার ৫৭৯ টাকায় কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
- 📌 ২৩ সেপ্টেম্বর অনলাইন রসিদে বকেয়া ও জরিমানার পরিমাণ উল্লেখ থাকলেও, কর্মকর্তা দাবি করেছেন, অভিযোগ মিথ্যা এবং অনলাইন সিস্টেমে এমন পরিবর্তন সম্ভব নয়।
- 📌 চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হিটলু বলেছেন, যদি ঘটনাটি সত্য হয়, তাহলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।
- 📌 আদমদীঘি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলামকে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন গ্রহণ করেননি।
📰 বিস্তারিত
বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার চাঁপাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। ভূমিমালিকদের দাবি অনুযায়ী, ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন ১ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার বিনিময়ে ৪ লাখ টাকার বকেয়া খাজনা মাত্র ৬ হাজার টাকায় কমিয়ে দিয়েছেন। এই অভিযোগের পক্ষে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়বস্তু অনুযায়ী, ঝাঁখর মৌজার ১৭৯৪ দাগের একর ৯০ শতাংশ পুকুরের (কৃষি ২) ৪৯ বছরের খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর জরিমানাসহ বকেয়ার পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯০৭ টাকা। ২৩ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত অনলাইন রসিদে বকেয়া ও জরিমানার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কর্মকর্তা ঘুষ নেওয়ার পর তা ৬ হাজার ৫৭৯ টাকায় কমিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিরুদ্ধে আয়েশা খাতুন বলেছেন, অভিযোগ মিথ্যা এবং অনলাইন সিস্টেমে এমন পরিবর্তন সম্ভব নয়। তিনি দাবি করেছেন, কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, ওই ভূমির বেশ কিছু পরিমাণ কর পরিশোধ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে এবং ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।
চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হিটলু বলেছেন, ‘এ ধরনের ঘটনা যদি সত্য হয়, তাহলে আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।’ এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন গ্রহণ করেননি।
"অনলাইন সফটওয়্যার করার সময় তথ্যাদি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, ওই ভূমির বেশ কিছু পরিমাণ কর পরিশোধ করা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই ও নীতিমালা মোতাবেক বকেয়া ভূমি উন্নয়ন কর, জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া আদমদীঘি উপজেলা, চাঁপাপুর ইউনিয়ন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়েশা খাতুন (সহকারী ভূমি কর্মকর্তা), আনোয়ার হোসেন হিটলু (চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯০৭ টাকা (বকেয়া), ৬ হাজার ৫৭৯ টাকা (ঘুষ নেওয়ার পর), ১ লাখ টাকা (ঘুষ), ৪৯ বছর (খাজনা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!