📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পল্টনে বিএনপি কর্মী হত্যা মামলায় দু’জন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ: আদালত

পল্টনে বিএনপি কর্মী হত্যা মামলায় দু’জন আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ: আদালত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 পল্টনে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেনের হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মনসুর ও সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিনকে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই সিদ্ধান্ত নেয়। মামলায় আসামিদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে

পল্টনে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেনের হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মনসুর আহমেদ ও সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদকে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে। আজ রোববার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত পুলিশের আবেদন অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জল হোসেন আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুলতান মনসুর ও সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিনকে বিএনপি কর্মী মকবুল হোসেনের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত।
  • 📌 ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর পল্টনে বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।
  • 📌 ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় মাহফুজুর রহমান নামের এক ব্যক্তি ২৫৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন।
  • 📌 ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর কানাডা থেকে দেশে ফেরার পর সুলতান মনসুরকে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।
  • 📌 ২৬ অক্টোবর গুলশান এলাকায় সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিনকে ডিবি গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে দু’জনই কারাগারে রয়েছে।

📰 বিস্তারিত

আজ রোববার পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে সুলতান মনসুর আহমেদ ও সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) মো. তোফাজ্জল হোসেন আসামিদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা বিগত সরকারের অন্যতম সহযোগী ও অর্থ জোগানদাতা ছিলেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনেও তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

অসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অন্যান্য আইনজীবীরা গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে সুলতান মনসুর বলেন, ‘২০২২ সালের ঘটনা। আমি তখন গণফোরামের সঙ্গে ছিলাম, আওয়ামী লীগের সঙ্গে না। জুলাই আন্দোলনের সময় আমি সপরিবার দেশের বাইরে ছিলাম। কোনো অপরাধ করলে আমি দেশে ফিরে আসতাম না।’ তিনি আদালতের কাছে আইনি সহায়তাও প্রার্থনা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর এক দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল বিএনপি। এর আগে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ডিবি পুলিশের তৎকালীন প্রধান হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমারের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। সে সময় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে মকবুল হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

"আসামিরা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তাঁরা বিগত সরকারের অন্যতম সহযোগী ও অর্থ জোগানদাতা। ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনেও তাঁরা সহযোগিতা করেছেন। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।" — রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (পল্টন, গুলশান, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতান মনসুর আহমেদ, সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদ, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন, মোরশেদ হোসেন শাহীন, মাহফুজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০২২ (১০ ডিসেম্বর), ২০২৪ (৩০ সেপ্টেম্বর, ১ অক্টোবর, ২৬ অক্টোবর), ২৫৬ জন আসামি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖