📌 মকবুল হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মনসুরসহ দুজনকে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছে। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ সিদ্ধান্ত নেয়। মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদেশের বিরোধিতা করলেও আদালত তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছে
মকবুল হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা-সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার আদেশ জারি করেছে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত। রোববার (১৮ অক্টোবর) পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মনসুর আহমেদ ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহর ছেলে সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদ আব্দুল্লাহকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত। এই মামলায় মকবুল হোসেনের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিল পুলিশ।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৮ অক্টোবর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত সুলতান মনসুরসহ দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন
- 📌 ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর পল্টনে বিএনপি কর্মসূচির সময় মকবুল হোসেনের হত্যা ঘটে
- 📌 ২৫৬ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে, যার মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও রয়েছেন
- 📌 সুলতান মনসুর দাবি করেন, ২০২২ সালের ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন না, কারণ সে সময় তিনি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন
- 📌 ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর কানাডা থেকে দেশে ফিরে আসার পর সুলতান মনসুরকে যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়
- 📌 ২৬ অক্টোবর সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আব্দুল্লাহকে গুলশান-২ এলাকায় গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ
📰 বিস্তারিত
মকবুল হত্যা মামলায় সুলতান মনসুরসহ দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ জারি করার পেছনে ছিল পুলিশের আবেদন। গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপপরিদর্শক মো. তোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে তদন্তকারী দল তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর সুমন আসামিদের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে তাদের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীনসহ অন্যান্য আইনজীবীরা আদেশের বিরোধিতা করেন।
সুলতান মনসুর আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, ২০২২ সালের ঘটনাটি ঘটার সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশের বাইরে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে দেশে ফিরে আসতেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সে সময় তিনি আওয়ামী লীগের সঙ্গে নয়, গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
মামলার ঘটনাবলী অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর এক দফা দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপি। ওই কর্মসূচির আগে ৭ ডিসেম্বর তৎকালীন ডিবিপ্রধান হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান ও বিপ্লব কুমারের নেতৃত্বে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। অভিযোগে বলা হয়, অভিযানের সময় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের পাশাপাশি আশপাশে অবস্থানরত বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বিএনপিকর্মী মকবুল হোসেন।
২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পল্টন মডেল থানায় এ ঘটনায় মামলা করেন মাহফুজুর রহমান। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫৬ জনকে আসামি করা হয়।
"কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে দেশে ফিরে আসতেন না। সে সময় আমি গণফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।"
— সুলতান মনসুর আহমেদ, আদালতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, পল্টন, গুলশান-২, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুলতান মনসুর আহমেদ, সেরনিয়াবাত মঈনউদ্দিন আহাম্মেদ আব্দুল্লাহ, জশিতা ইসলাম, মো. তোফাজ্জল হোসেন, মোরশেদ হোসেন শাহীন, হারুন অর রশীদ, মেহেদী হাসান, বিপ্লব কুমার, মাহফুজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ অক্টোবর, ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ৭ ডিসেম্বর ২০২২, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ২৫৬ জন, ১ অক্টোবর ২০২৪, ২৬ অক্টোবর ২০২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!