📌 ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানম ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন। রাজনৈতিক জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির আন্দোলনের কারণে পদত্যাগের পিছনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংযোগের অভিযোগ উঠেছে
বিএনপি সরকারের অধীনে আইন মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পদত্যাগ করেছেন। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) শিউলি খানম গত অক্টোবর ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে সূত্রে জানা গেছে, তাঁর পদত্যাগের পিছনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংযোগের অভিযোগের কারণে বিএনপির আন্দোলনের চাপে পদত্যাগের সম্ভাবনা বেশি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানম পদত্যাগ করেছেন, ব্যক্তিগত কারণে বলে দাবি করলেও রাজনৈতিক জড়িত থাকার অভিযোগের কারণে পদত্যাগের সম্ভাবনা বেশি
- 📌 তাঁর পদত্যাগপত্র অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে এবং সলিসিটরের কাছে পাঠানো হয়েছে
- 📌 ৩০ জুলাই বিএনপি সরকারের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়, যার মধ্যে ৮৬ জন ডিএজি ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অন্তর্ভুক্ত
- 📌 আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংযোগ ও নোট বাণিজ্যের অভিযোগের কারণে বিএনপির আন্দোলনের কারণে পদত্যাগের সম্ভাবনা বেশি
- 📌 সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের ভাইয়ের স্ত্রী শিউলি খানমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে
📰 বিস্তারিত
বিএনপি সরকারের অধীনে সুপ্রিম কোর্টের জন্য ৩০ জুলাই ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। এই নিয়োগের মধ্যে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই নিয়োগের পর থেকেই জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আইনজীবীদের একটি অংশ বিএনপির বাইরের নিয়োগপ্রাপ্তদের নিয়োগ বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।
শিউলি খানমের পদত্যাগের পিছনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংযোগের অভিযোগের কারণে বিএনপির আন্দোলনের চাপে পদত্যাগের সম্ভাবনা বেশি। সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়ের ভাইয়ের স্ত্রী শিউলি খানমের বিরুদ্ধে নোট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও উঠেছে। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা এবিএম ইব্রাহিম খলিল জানান, শিউলি খানম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।
শিউলি খানম আজকের পত্রিকাকে বলেছেন, তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় নিয়োগ পেয়েছিলেন। বিএনপি সরকারের অধীনে পুনরায় নিয়োগ পান। তিনি ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন। তিনি দাবি করেন, সারা জীবন বিএনপির সঙ্গে ছিলেন, তবে কখনোই বিএনপি বা এর কোনো অঙ্গসংগঠনে তাঁর কোনো পদ ছিল না। তিনি আরও দাবি করেন, নোট বাণিজ্যের অভিযোগ মিথ্যা।
"আন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমি নিয়োগ পেয়েছিলাম। বিএনপি সরকারের অধীনে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছি। ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছি। সারা জীবন বিএনপির সঙ্গে ছিলেন। তবে কোনো পদ ছিল না। নোট বাণিজ্যের অভিযোগ মিথ্যা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, আইন মন্ত্রণালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শিউলি খানম, এবিএম ইব্রাহিম খলিল, সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬৫ জন (আইন কর্মকর্তা), ৮৬ জন (ডিএজি), ১৭৯ জন (সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!