📅 ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের বয়স যাচাইতে বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহিদা বেগমের আহ্বান

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের বয়স যাচাইতে বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নাহিদা বেগমের আহ্বান

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম অভিযুক্তদের প্রকৃত বয়স যাচাইতে বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি জানিয়েছেন। তিনি মাদকবিরোধী অভিযানে তার ভূমিকার কারণে অপ্রতিমকে টার্গেট করা সম্ভাবনারও তদন্ত চেয়েছেন

কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্তদের প্রকৃত বয়স যাচাই করতে বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি জানিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম। তিনি মাদকবিরোধী অভিযানে তার ভূমিকার কারণে অপ্রতিমকে পরিকল্পিতভাবে টার্গেট করা সম্ভাবনারও তদন্ত চেয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) কোটবাড়ির নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগম।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি: অভিযুক্তদের প্রকৃত বয়স যাচাইতে বায়োলজিক্যাল টেস্টের দাবি জানিয়েছেন ড. নাহিদা বেগম। তিনি বলেছেন, ‘মাইনর বলে ওদের যদি এখন সংশোধনাগারে রাখা হয়, ওরা আদতে মাইনর কিনা তা জানতে চাই।’
  • 📌 পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সম্ভাবনা: মাদকবিরোধী অভিযানে তার ভূমিকার কারণে অপ্রতিমকে টার্গেট করা সম্ভাবনার তদন্ত চেয়েছেন তিনি। তিনি বলেছেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেশা হয়েছে কি না, তা তদন্তে থাকা উচিত।’
  • 📌 বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদকবিরোধী অভিযান: ড. নাহিদা বেগম বলেছেন, তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে বহিরাগতদের আটক, মাদকদ্রব্য ধ্বংস এবং পুলিশে সোপর্দসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
  • 📌 অপ্রতিমের বড়ো হওয়ার গল্প: ড. নাহিদা বেগম বলেছেন, তিনি ছেলেকে শুধু ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানানোর লক্ষ্যে বড় করেননি, বরং তাকে স্বনির্ভর ও মানবিক ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন।

📰 বিস্তারিত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম বলেছেন, অভিযুক্তদের বয়স যাচাই করতে বায়োলজিক্যাল টেস্ট করা দরকার। তিনি বলেন, ‘মাইনর বলে ওদের যদি এখন সংশোধনাগারে রাখা হয়, ওরা আদতে মাইনর কিনা- এটা আমি জানতে চাই। আমাদের প্রচলিত আইনে যাদের শিশু বা মাইনর বলা হয়, সেই বয়সটা ভোটার আইডি বা জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে দেখা হবে, নাকি বায়োলজিক্যাল টেস্ট করা হবে?’ তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন, ‘আমার ছেলে তো মারা গেছে। ওদের ফাঁসি হলেও আমি আমার ছেলেকে ফেরত পাব না। কিন্তু ওরা যখন পাঁচ বছর, দশ বছর পর সংশোধনাগার থেকে ফিরবে, তখন আমি ও আমার স্বামী নিরাপদ থাকব কি না?’

ড. নাহিদা বেগম আরও বলেন, অপ্রতিমকে পরিকল্পিতভাবে তার সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে টার্গেট করা হয়েছিল কি না, এমন সম্ভাবনাও তদন্তে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে পরিকল্পনা করে মেশা হয়েছে কি না, একটা নির্দিষ্ট সময়ে ওদের সঙ্গে ওর যোগাযোগ তৈরি হয়েছে কি না, এসব বিষয় তদন্ত হওয়া দরকার। সঠিক তথ্যটা বের হয়ে আসুক।’

ড. নাহিদা বেগম মাদকবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গে বলেন, তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরের দায়িত্বে থাকাকালে মাদকবিরোধী অভিযানে বহিরাগতদের আটক, মাদকদ্রব্য ধ্বংস এবং পুলিশে সোপর্দসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিনের তদন্তে এই প্রসঙ্গটা ওঠার পর আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। আমি যখন ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ছিলাম, তখন দফায় দফায় মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছিলাম। সেখানে বহিরাগত ধরা হয়েছে, গাঁজা নষ্ট করা হয়েছে, কাউকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে, কারও মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। যারা এসব সরবরাহ করত, তাদের কারও মধ্যে আমার ওপর ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তে থাকা উচিত।’

অপ্রতিমের বাইক ও আইফোনের প্রতি আগ্রহ নিয়ে ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘বাইকের প্রতি ওর এই আগ্রহটা একটা নির্দিষ্ট সময়ে তৈরি হয়েছিল। কেউ হয়তো ওকে বাইকে চড়িয়েছে, উৎসাহ দিয়েছে। আমরা যে ভিডিওটা দেখেছি, সেখানে আমার কাছে মনে হয়েছে ওকে সামনে বসানো হয়েছে এবং পেছন থেকে ধরে ভিডিও করা হয়েছে। আইফোন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আইফোনের প্রতি ওর খুব বেশি আগ্রহ ছিল না। ছোট ছোট ছবি তোলার জন্যই আইফোনটি কেনা হয়েছিল। এর বাইরে আইফোন নিয়ে ওর বিশেষ কোনো আগ্রহ ছিল না।’

অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় কোনো সম্ভাবনাকেই তদন্তের বাইরে না রাখার আহ্বান জানিয়ে ড. নাহিদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে চলে গেছে। এরপর ওরা বের হয়ে এসে আরেকটা অপরাধ করুক- আমি সেটা চাই না। এই রাস্তাগুলো যেন বন্ধ হয়ে যায়।’

"আমি কখনো চাইনি আমার বাচ্চা ফার্মের মুরগির মতো বড় হোক। আমি চেয়েছি আমার ছেলে দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াবে, প্রত্যেকটা কাজে সেলফ ডিপেন্ডেন্ট হবে। ও ফটোগ্রাফি শিখুক, সাইক্লিং শিখুক, সাঁতার শিখিয়েছি, কারাতে শিখিয়েছি, এক বছর নাচও শিখেছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কুমিল্লা, কোটবাড়ি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. নাহিদা বেগম (অপ্রতিমের মা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৩ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖