📌 বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বীথি ও তাঁদের গৃহকর্মীরা ১১ বছরের একটি শিশুকে দিনের পর দিন খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন করতেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে শিশুকে বাথরুমে আটকে রাখা, মরিচের গুঁড়া লাগানো, লাঠি মারধর এবং পায়ে পচন ধরা সহ নির্যাতনের ভয়াবহ ঘটনা। মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছে
বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বীথি ও তাঁদের গৃহকর্মীরা ১১ বছরের একটি শিশুকে দিনের পর দিন নির্যাতন চালিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে শিশুকে খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে মারধর করা, বাথরুমে আটকে রাখা, মরিচের গুঁড়া লাগানো এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা সহ বিভিন্ন ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা। এই মামলায় অভিযোগপত্রে শিশুটির শরীরে দিনের পর দিন নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ বছরের শিশুকে দিনের পর দিন খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন করতেন বিমানের সাবেক এমডি সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বীথি ও তাঁদের গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগম।
- 📌 শিশুকে বাথরুমে আটকে রাখা হতো এবং পানিতে থাকতে থাকতে পায়ে পচন ধরে গিয়েছিল।
- 📌 শিশুটি মরিচের গুঁড়া লাগানো, লাঠি মারধর এবং পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দেওয়া সহ নির্যাতনের শিকার হয়েছিল।
- 📌 সাফিকুর রহমান স্ত্রীর নির্যাতনের দায় এড়াতে পারেননি; অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তিনি নির্যাতনের সমর্থন দিয়েছিলেন।
- 📌 মামলাটি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এ বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের স্ত্রী বীথি ও তাঁদের গৃহকর্মীরা ১১ বছরের একটি শিশুকে দিনের পর দিন নির্যাতন চালিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, শিশুকে খুন্তির ছ্যাঁকা দিয়ে মারধর করা, বাথরুমে আটকে রাখা, মরিচের গুঁড়া লাগানো এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা সহ বিভিন্ন ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা। শিশুটি অভিযোগপত্রে বলেছে, তাকে বাথরুমে আটকে রাখা হতো এবং পানিতে থাকতে থাকতে পায়ে পচন ধরে গিয়েছিল। শিশুটি বলেছে, বাথরুম থেকে বের হতে চাইলে তাকে বের করতে দেওয়া হতো না। ক্ষুধা মিটাতে সে বাথরুমের পানি ও দাঁত মাজার পেস্ট খেত।
শিশুটি জানিয়েছে, তাকে বাসায় নেওয়ার পর থেকেই বীথি খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিতেন। চিৎকার করলে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারতেন। পায়ের রানে, দুই হাতে, পিঠে গরম খুন্তি দিয়ে মারতেন। বুয়ারাও তাকে খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিতেন। লাঠি দিয়ে মারতেন। পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়েছে। শিশুটি বলেছে, তাকে বাসায় নেওয়ার পর থেকেই বাথরুমে রাখা হতো। পানিতে থাকতে থাকতে পায়ে পচন ধরে যায়। পুরো শীতে কোনো শীতের কাপড় দেয়নি। ওইখানে যাওয়ার পর কোনো খাবার খায়নি। পেস্ট এবং বাথরুমের পানি খেয়ে থেকেছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, শিশুকে কাজে নেওয়া হয়েছিল শুধু সাফিকুর-বীথি দম্পতির বাচ্চাকে দেখাশোনা করার জন্য। কিন্তু তাকে ওই সংসারের বিভিন্ন কাজকর্ম করতে হতো। কাজে সামান্য ভুলভ্রান্তি হলেই তার ওপর চলত অমানুষিক নির্যাতন। শিশুটির বাবা গোলাম মোস্তফা পরে মামলা করেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সাফিকুর রহমান স্ত্রীর নির্যাতনের দায় এড়াতে পারেননি। তিনি নির্যাতনের সমর্থন দিয়েছিলেন।
"তাকে বাথরুমে আটকে রাখা হতো। পানিতে থাকতে থাকতে পায়ে পচন ধরে যায়। পুরো শীতে কোনো শীতের কাপড় দেয়নি। ওইখানে যাওয়ার পর কোনো খাবার খায়নি। পেস্ট এবং বাথরুমের পানি খেয়ে থেকেছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাফিকুর রহমান, বীথি, রুপালী খাতুন, সুফিয়া বেগম, গোলাম মোস্তফা, উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর (শিশুর বয়স), ৩১ আগস্ট (অভিযোগপত্র জমা দানের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!