📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের বাসায় নিযুক্ত ১১ বছর বয়সী শিশু নির্যাতনের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। শিশুটি অভিযোগ করেছে, বাসার গৃহকর্ত্রী বীথি আক্তার গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিতেন, চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিতেন এবং পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়েছিলেন। মামলায় সাফিকুর রহমানসহ চারজন আসামি করা হয়েছে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের বাসায় নিযুক্ত ১১ বছর বয়সী একটি শিশু নির্যাতনের অভিযোগে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। শিশুটি অভিযোগ করেছে, বাসার গৃহকর্ত্রী বীথি আক্তার দিনের পর দিন তাকে নির্যাতন করতেন। গরম খুন্তি দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছ্যাঁকা দিতেন, চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিতেন এবং পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়েছিলেন। এছাড়াও, শিশুটিকে শৌচাগারে আটকে রাখা হতো এবং বাঁচার জন্য সে পানি ও টুথপেস্ট খেয়েছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ বছর বয়সী শিশু অভিযোগ করেছে, বাসার গৃহকর্ত্রী বীথি আক্তার তাকে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিতেন, চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিতেন এবং পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়েছিলেন।
- 📌 শিশুটিকে শৌচাগারে আটকে রাখা হতো এবং বাঁচার জন্য সে পানি ও টুথপেস্ট খেয়েছিল।
- 📌 অভিযোগপত্রে সাফিকুর রহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে, কারণ তিনি স্ত্রীর নির্যাতন দেখেও না দেখার ভান করতেন।
- 📌 মামলায় আসামি করা হয়েছে সাফিকুর রহমান, স্ত্রী বীথি আক্তার, রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগম।
- 📌 সাফিকুর রহমান ও রুপালী খাতুন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, কিন্তু বীথি আক্তার ও সুফিয়া বেগম কারাগারে রয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
শিশুটিকে নির্যাতনের বিষয়টি সামনে আসে গত ৩১ জানুয়ারি। ওই দিন বিমানের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমানের বাসা থেকে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করেন তার বাবা। পরদিন ১ ফেব্রুয়ারি শিশুটির বাবা তাঁর সন্তানকে নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় সাফিকুর রহমান, তাঁর স্ত্রী বীথি আক্তার এবং বাসার অন্য দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন ও সুফিয়া বেগমের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা যায়, রাজধানীর উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরে সাফিকুর রহমানের বাসায় শিশুদের দেখাশোনার জন্য নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর শিশুটিকে গৃহকর্মী হিসেবে খুঁজে দেন। মেয়েটির বিয়ে ও অন্যান্য খরচ বহনের প্রতিশ্রুতি পেয়ে তাঁর হোটেলকর্মী বাবা গত বছরের জুন মাসে তাকে ওই বাসায় পাঠান। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর মেয়েকে দেখতে বাবা ওই বাসায় গিয়েছিলেন। এরপর আর মেয়েকে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি।
চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি সাফিকুরের স্ত্রী ফোন করে শিশুটির অসুস্থতার কথা জানিয়ে তাকে নিয়ে যেতে বলেন। মেয়েকে আনতে গিয়ে শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন দেখতে পান বাবা। এরপর শিশুটিকে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শিশুটির বাবার মামলার পর রাতেই আসামি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জামিনে মুক্তি পান সাফিকুর রহমান এবং রুপালী খাতুন। বীথি আক্তার ও সুফিয়া বেগম কারাগারে রয়েছেন।
"বাথরুমে আটকে রাখত, গলায় গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দিত, পুতা দিয়ে দাঁত ভেঙে দিয়েছে, চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দিত।" — শিশু জবানবন্দিতে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উত্তরা, ঢাকা (সাফিকুর রহমানের বাসা), গাজীপুর (হাসপাতাল)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ১১ বছর বয়সী শিশু, সাফিকুর রহমান, বীথি আক্তার, রুপালী খাতুন, সুফিয়া বেগম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর বয়সী শিশু, ৩১ জানুয়ারি, ১ ফেব্রুয়ারি, ২ নভেম্বর, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২১ ফেব্রুয়ারি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!