📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনারের বিরুদ্ধে লাঞ্ছনা অভিযোগ: অফিসে অনুপস্থিত, কক্ষে তালা ও নেমপ্লেট নেই

বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনারের বিরুদ্ধে লাঞ্ছনা অভিযোগ: অফিসে অনুপস্থিত, কক্ষে তালা ও নেমপ্লেট নেই

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বেনাপোল কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার সরাফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে কর্মকর্তা লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়, ৮ অক্টোবর তিনি সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমানকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করেছেন। ঘটনার পর থেকে তার অফিসে তালা ঝুলছে এবং নেমপ্লেটও নেই। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হয়েছে

বেনাপোল কাস্টমস হাউজে কর্মকর্তা লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠার পর তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে যুগ্ম কমিশনার সরাফুদ্দিন আহমেদ। ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর থেকে তিনি অফিসে অনুপস্থিত থাকলেও তার কক্ষে তালা ঝুলছে এবং দরজায় নেমপ্লেটের অভাবে কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বন্দর ও কাস্টমস প্রশাসনের কার্যক্রমেও ব্যাহত করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮ অক্টোবর বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে যুগ্ম কমিশনার সরাফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে।
  • 📌 ঘটনার পর থেকে সরাফুদ্দিন আহমেদের অফিসে তালা ঝুলছে এবং দরজায় নেমপ্লেটের অভাবে কর্মকর্তারা অবাক হয়ে পড়েছেন।
  • 📌 ১২ অক্টোবর সোমবার বেলা ৩টায় কাস্টমস কমিশনারের বৈঠকে সিদ্ধান্তের বিষয়ে সহকারী কমিশনার রাহাত বলেছেন, “সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এখন কিছু বলা যাবে না। কমিশনার মহোদয় সিদ্ধান্তের কথা জানালে পরে জানানো সম্ভব হবে।”
  • 📌 অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আবেদন জমা দিয়েছেন।
  • 📌 ঘটনার কারণে আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাস কার্যক্রমও বন্ধ ছিল। কাস্টমস হাউজের সামনে ফাইল হাতে সিঅ্যান্ডএফ সদস্যদের অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছিল।

📰 বিস্তারিত

আজিজুল হক, বেনাপোল প্রতিনিধি হিসেবে জানিয়েছেন, যশোরের বেনাপোল কাস্টমস হাউজে কর্মকর্তা লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠার পর তীব্র আলোচনা চলছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত যুগ্ম কমিশনার সরাফুদ্দিন আহমেদ অফিসে অনুপস্থিত থাকলেও তার কক্ষে তালা ঝুলছে এবং দরজায় নেমপ্লেটের অভাবে কর্মকর্তারা অবাক হয়ে পড়েছেন। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দাপ্তরিক বৈঠক চলাকালে আমদানি-রপ্তানি পণ্য খালাস কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেডে কাজের অবহেলার অভিযোগ তুলে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা (এআরও) আরমানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ ওঠে সরাফুদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় তাঁকে লাথি মারা হয়। ঘটনায় বন্দর ও কাস্টমস সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাইলে স্থলবন্দরের পরিচালক রুহুল আমিন বলেছেন, “ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ ছাড়া এভাবে ভিডিও ফুটেজ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে রাগের বশবর্তী হয়ে এ ধরনের একটি অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর) বেলা ৩টা থেকে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ষষ্ঠ তলায় ইচ্ছামতী কনফারেন্স রুমে রাজস্ব সহকারী ও সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন কাস্টমস কমিশনার। বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার রাহাত বলেছেন, “সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এখন কিছু বলা যাবে না। কমিশনার মহোদয় সিদ্ধান্তের কথা জানালে পরে জানানো সম্ভব হবে।”

সরাফুদ্দিন আহমেদের কক্ষে তালা ঝোলার বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার রাহাত বলেছেন, “হয়তো ছুটিতে থাকতে পারেন।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ৪১ নম্বর শেডের ঘটনা নিয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আরমান জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) একটি আবেদন জমা দিয়েছেন। ওই আবেদনের শুনানি শেষে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তা জানা যাবে।

"সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এখন কিছু বলা যাবে না। কমিশনার মহোদয় সিদ্ধান্তের কথা জানালে পরে জানানো সম্ভব হবে।"
"হয়তো ছুটিতে থাকতে পারেন।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বেনাপোল কাস্টমস হাউজ, যশোর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সরাফুদ্দিন আহমেদ (যুগ্ম কমিশনার), আরমান (সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা), রাহাত (সহকারী কমিশনার), রুহুল আমিন (পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর, ৪১ নম্বর শেড, ১২ অক্টোবর, বেলা ৩টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖