📌 বেনাপোল কাস্টমসের ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্কায়ন ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য ঢাকায় পৌঁছানোর ঘটনায় তদন্তকালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমানকে যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনের ফলে চার ঘণ্টা পণ্য খালাস বন্ধ ছিল
বেনাপোল কাস্টমসের ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্কায়ন ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য ঢাকার সদরঘাটে পৌঁছানোর ঘটনায় তদন্তকালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমানকে যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার জেরে বন্দরে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আকস্মিক কর্মবিরতিতে পণ্য খালাস চার ঘণ্টা বন্ধ ছিল।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বেনাপোল কাস্টমসের ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্কায়ন ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য ঢাকার সদরঘাটে পৌঁছায়, পরে গোয়েন্দা সংস্থা আটক করে
- 📌 পণ্য গায়েবের তদন্তকালে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমানকে যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
- 📌 অভিযোগে ক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পণ্য খালাস বন্ধ করে দিলে চার ঘণ্টা ব্যাহত হয়
- 📌 অভিযুক্ত যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে অধস্তন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও প্রশাসনিক হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে
- 📌 বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার ফাইজুর রহমান জানান, পণ্য খালাসের নথিপত্র ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ভূমিকা যাচাই করা হবে
📰 বিস্তারিত
বেনাপোল স্থলবন্দরের ৪১ নম্বর শেড থেকে শুল্কায়ন ছাড়াই দুই ট্রাক পণ্য বেরিয়ে ঢাকার সদরঘাটের একটি গুদামে পৌঁছানোর ঘটনায় বন্দরের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই ঘটনার খোঁজ নিতে গিয়ে কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার-২ শরফুদ্দিন মিঞার বিরুদ্ধে।
গত ৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৫টায় যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা ৪১ নম্বর শেডে পরিদর্শনে যান। ওই সময় শেডে পণ্য তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমান, ট্রাফিক পরিদর্শক মামুনুর রশিদ ও সহকারী শেড ইনচার্জ আশরাফুল আলম। পণ্য গায়েবের বিষয়ে জানতে চাইলে আরমান জানান, তিনি অন্য কাজে অন্যত্র ছিলেন। এরপর আরমান লিখিতভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে অভিযোগ করেন যে, শেডে উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামনেই শরফুদ্দিন মিঞা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেছেন।
অভিযোগের জেরে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রতিবাদে পণ্য ছাড়করণ বন্ধ করে দিলে চার ঘণ্টা যাবত খালাস কার্যক্রম ব্যাহত হয়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও অভিযুক্ত যুগ্ম কমিশনারের অপসারণ ও শাস্তির দাবিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আন্দোলন অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন।
চালান নম্বর ৬০১২০২৬০০৩০০৬২৬৫১-এর পণ্যগুলোতে ঢাকার ‘গ্রিন ওয়ে ইন্টারন্যাশনাল’ এবং যশোরের ‘মেসার্স আবিদ ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিষ্ঠান জড়িত। স্থানীয় ব্যবসায়ী আজিজুর রহমান ও আব্দুর রহমানসহ অনেকেই অভিযোগ করেছেন, শরফুদ্দিন মিঞা পণ্য খালাসে ইচ্ছাকৃতভাবে জটিলতা সৃষ্টি ও অসহযোগিতা করে থাকেন।
"৪১ নম্বর শেড থেকে পণ্য খালাস এবং কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগটি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। পণ্য খালাসের নথিপত্র, শুল্কায়ন প্রক্রিয়া ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের ভূমিকা যাচাই করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
— বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার ফাইজুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেনাপোল কাস্টমস, ৪১ নম্বর শেড, ঢাকার সদরঘাট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাঈন উদ্দিন আরমান, যুগ্ম কমিশনার শরফুদ্দিন মিঞা, কাস্টমস কমিশনার ফাইজুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ (শেড নম্বর), ২ (ট্রাক সংখ্যা), ৮ (অক্টোবর), ১১ (অক্টোবর), ৬০১২০২৬০০৩০০৬২৬৫১ (চালান নম্বর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!