📌 বরগুনার আমতলীতে ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। চার শিক্ষার্থীকে বিএনপি নেতাদের নির্যাতন করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে
বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের হাতে চার শিক্ষার্থীকে আটক করে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাদের কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি ৫০ থেকে ৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ অক্টোবর সকাল ১০টায় ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, ৫০-৬০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি অন্তর্ভুক্ত
- 📌 চার শিক্ষার্থীকে বিএনপি নেতা জালাল উদ্দীন ফকিরের উপস্থিতিতে নির্যাতন করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়, পরে কারাগারে পাঠানো হয়
- 📌 মামলায় অভিযোগ: স্লোগান দেওয়ার পর কলেজের ফটক ও সেতু ভাঙচুর, টায়ারে আগুন জ্বালানো, ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি
- 📌 বাদী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন গুলিশাখালী ইউনিয়নের বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিজাউল কবির
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০টায় বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার মহিষকাটা এলাকায় ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন ফকির। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব তুহিন মৃধা, বরগুনা দ্বিতীয় জজ আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌন্সুলি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এপিপি মো. মাহবুবুল আলমসহ অন্যান্য নেতা-কর্মী।
অনুষ্ঠানের শেষে কিছু নবীন শিক্ষার্থী ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। জালাল উদ্দীন ফকির ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরদিন শুক্রবার দুপুরে কলেজের সামনে থেকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল কাজী ও নবীন শিক্ষার্থী সুজাকে বিএনপি নেতারা তুলে নিয়ে যান। জুমার নামাজ শেষে চুনাখালী মসজিদের সামনে থেকে আরও দুই শিক্ষার্থী মো. আসিফ ও মো. তামিমকে আটক করা হয়।
আসিফের পরিবারের অভিযোগ, চার শিক্ষার্থীকে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে আটকে রেখে জালাল উদ্দীন ফকিরের উপস্থিতিতে নির্যাতন করা হয়। রাত ৯টায় তাদের আমতলী থানায় পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, স্লোগান দেওয়ার পর কলেজের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আসামিরা কলেজের ফটক ও সেতু ভাঙচুর করে টায়ারে আগুন জ্বালান, যার ফলে আনুমানিক ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।
বাদী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন গুলিশাখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিজাউল কবির। তিনি অভিযোগ করেছেন, মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপি কর্মীরা তাকে গালিগালাজ করে মারধর করে হত্যার চেষ্টা করেছিল। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন জানিয়েছেন, নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ায় চারজনকে আটক করে বরগুনা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান চলছে।
"গতকাল বিকেলে ভুক্তভোগী অটোচালক স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় বসবাসকারী নারী পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ থেকে নোয়াখালী যাওয়ার উদ্দেশে ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ডে আসেন। কিন্তু টাকার অভাবে বাসে উঠতে না পেরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অপেক্ষা করছিলেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইউনুস আলী খাঁন ডিগ্রি কলেজ, মহিষকাটা, আমতলী, বরগুনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. রিজাউল কবির, জালাল উদ্দীন ফকির, মো. সাইফুল কাজী, মো. আসিফ, মো. তামিম, সুজা, তুহিন মৃধা, অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট মো. মাহবুবুল আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩২ জন (মামলায় অভিযুক্ত), ৫০-৬০ জন (অজ্ঞাতনামা আসামি), ৫০ হাজার টাকা (ক্ষতি), ৮ অক্টোবর (অনুষ্ঠান তারিখ), ৯ অক্টোবর (মামলা দায়ের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!