📌 বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনিরের গাড়িবহরে ২০২২ সালের হামলায় ৪ বছর পর পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে
বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম মনিরের গাড়িবহরে ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হামলা ও ভাঙচুর মামলায় চার বছর পর পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের বুধবার আদালত কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৬ জন গ্রেপ্তার: সবুজ শিকদার (৪০), রাজিব খান (২৫), রনি মোল্লা (৩৫), নাবিউল ইসলাম (২২), আল-আমিন কবিরাজ (২২) ও কামরুল ইসলাম (২২) পুলিশের তদন্তে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হন।
- 📌 ৪ বছর পর গ্রেপ্তার: ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সংঘটিত হামলায় ৪ বছর পর পুলিশ গ্রেপ্তার কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
- 📌 মামলা ২০২৪ সালে দায়ের: নূরুল ইসলাম মনিরের ভাতিজা মো. সোলায়মান সাদিক ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর পাথরঘাটা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
- 📌 ১০৫ জনের নাম উল্লেখ: মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১০৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ২০০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 হামলায় আহত নূরুল ইসলাম মনির: ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনিরসহ কয়েকজন আহত হন। গাড়িবহরে থাকা মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করা হয়।
📰 বিস্তারিত
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের সি অ্যান্ড বি বাজার এলাকায় ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর নূরুল ইসলাম মনিরের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুর ঘটে। ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনিরসহ কয়েকজন আহত হন। পুলিশের তথ্য মতে, মোটরসাইকেল ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও মামলায় করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মামলার তদন্তে ছয়জনকে আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম জানান, এই ছয়জন আসামির সক্রিয়ভাবে ঘটনায় অংশ নেওয়ার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি আরও বলেন, মামলার তদন্ত এখনো চলমান।
২০২২ সালের ঘটনায় নূরুল ইসলাম মনিরের ভাতিজা মো. সোলায়মান সাদিক বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ১০৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ২০০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
"মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সক্রিয়ভাবে ঘটনায় অংশ নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেছে।"
— পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল আলীম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাথরঘাটা উপজেলা, বরগুনা জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নূরুল ইসলাম মনির (সংসদ সদস্য), সবুজ শিকদার, রাজিব খান, রনি মোল্লা, নাবিউল ইসলাম, আল-আমিন কবিরাজ, কামরুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ জন গ্রেপ্তার, ৪ বছর পর গ্রেপ্তার, ২০২২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঘটনা, ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর মামলা দায়ের, ১০৫ জনের নাম উল্লেখ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!