📌 সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঠাকুরগাঁও জেলার নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ওসমান গনি (৩২) দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের দাবি, তিনি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিতে জড়িত ছিলেন। পঞ্চগড়ের বাসিন্দা ওসমান গনি পুলিশের পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ডেও আছেন
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় ঠাকুরগাঁও জেলার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা ওসমান গনি (৩২) দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম শুনানি শেষে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পুলিশের দাবি, ওসমান গনি ও অন্য আসামিরা রাষ্ট্রীয় সংহতি ও নিরাপত্তা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার চক্রান্ত করেছিলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ওসমান গনি (৩২) — নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক — দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
- 📌 ৩১ আগস্ট রাতে ঠাকুরগাঁও সদরের সালন্দর ইউনিয়নের তেলিপাড়া এলাকায় ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়েছিলেন।
- 📌 পুলিশের পিসিপিআর (পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড) যাচাই করে দেখা গেছে, ওসমান গনির বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
- 📌 ওসমান গনি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানার মির্জাপুর এলাকার জয়নুদ্দিনের ছেলে। তিনি গণ-অভ্যুত্থাণের পর থেকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার সরকারপাড়া এলাকায় বাস করছিলেন।
- 📌 পুলিশের দাবি, ওসমান গনি ও অন্য আসামিরা ঘটনায় ইন্ধনদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের শনাক্ত করতে জড়িত ছিলেন।
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার ঠাকুরগাঁও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম শুনানি শেষে ওসমান গনিকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠানোর রায় দিয়েছেন। এর আগে ঠাকুরগাঁও সদর থানার এসআই মনিরুজ্জামান আসামিকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন। পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেছেন, ওসমান গনি ও অন্য আসামিরা রাষ্ট্রীয় সংহতি ও নিরাপত্তা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে মহাসড়কে সমবেত হয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার চক্রান্ত করেছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট ভোরে ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়কে ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি সমবেত হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দিয়েছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যান। পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার আসামিদের পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ।
ওসমান গনি পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী থানার মির্জাপুর এলাকার জয়নুদ্দিনের ছেলে। তিনি গণ-অভ্যুত্থাণের পর থেকে ঠাকুরগাঁও সদর থানার সরকারপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন। পুলিশের পিসিপিআর (পূর্ববর্তী অপরাধের রেকর্ড) যাচাই করে দেখা গেছে, ওসমান গনির বিরুদ্ধে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একাধিক মামলা রয়েছে।
"আসামি ওসমান গনিসহ অন্য আসামিরা রাষ্ট্রীয় সংহতি ও নিরাপত্তা বিনষ্টের উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার চক্রান্ত করেছিলেন। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন এবং ঘটনায় ইন্ধনদাতা ও অর্থ জোগানদাতাদের শনাক্ত করতে ওসমান গনিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঠাকুরগাঁও সদর থানা, সালন্দর ইউনিয়ন (তেলিপাড়া এলাকা), ঠাকুরগাঁও-পঞ্চগড় মহাসড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসমান গনি (৩২), বিচারক মো. মাহবুব উল ইসলাম, এসআই মনিরুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ দিনের রিমান্ড, ৩১ আগস্ট, ২৫-৩০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!