📌 ঢাকার বাংলামোটরে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দিতে অস্বীকার করায় ওষুধ বিক্রেতাকে মারধর ও ফাঁকা গুলি করার অভিযোগে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌসসহ চারজনকে রিমান্ডে আদালতের আদেশ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে আটক করা আসামিদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে
ঢাকার বাংলামোটরে এক ওষুধ বিক্রেতাকে মারধর ও ফাঁকা গুলি করার অভিযোগে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌস আহমেদ সাইমনসহ চারজনকে রিমান্ডে আদালতের আদেশ দিয়েছে। ঘটনাস্থলে আটক করা আসামিদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহানের আদালতে রিমান্ড আবেদন শুনানির পর এই আদেশ দেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৫০ হাজার টাকা চাঁদা না দিতে অস্বীকার করায়** ওষুধ বিক্রেতা মো. সোহানকে মারধর ও ফাঁকা গুলি করার অভিযোগে বহিষ্কৃত যুবদল নেতা ফেরদৌসসহ চারজনকে রিমান্ডে আদালতের আদেশ
- 📌 **ফেরদৌস (৩৮) ও মো. ওমর (৩২), মো. মোর্শেদ (২৫), মো. শাওন (২৫)** — তাদের মধ্যে ফেরদৌসকে চার দিন এবং বাকিদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে
- 📌 **পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি** ছোড়া ও বাঁট দিয়ে মাথায় আঘাত করার অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে
- 📌 **হাতিরঝিল ও কলাবাগান থানায় একাধিক মাদক মামলা** রয়েছে আসামিদের বিরুদ্ধে, যা আদালতকে জানানো হয়েছে
- 📌 **সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সদস্য** বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে আসামিদের পরিচয়
📰 বিস্তারিত
গতকাল সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে বাংলামোটরের নিউ ইস্কাটন এলাকায় একটি বাড়ির সামনে ওষুধ বিক্রেতা মো. সোহানের পথরোধ করে আসামিরা। প্রধান আসামি ফেরদৌস আহমেদ সাইমন বাদীর কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। বাদী চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফেরদৌস পিস্তল বের করে তাঁর বুকে গুলি করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তিনি পিস্তলের বাঁট দিয়ে বাদীর মাথায় আঘাত করেন। অন্য আসামিরাও তাঁকে মারধর করেন। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
আহত বাদী স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে বাদীর ভগ্নিপতি মো. মোক্তার হোসেন তাঁর কাছে আসেন। এ সময় ফেরদৌসসহ অন্য আসামিরা মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে এসে আবারও বাদীকে মারধরের চেষ্টা করেন। ফেরদৌস পিস্তল দিয়ে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়েন বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন ধাওয়া করে আসামিদের মধ্যে কয়েকজনকে আটক করেন। ফেরদৌসও পালানোর চেষ্টার সময় আটক হন।
হাতিরঝিল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিদের হেফাজতে নেয়। পরে ভুক্তভোগী মো. সোহান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নাসিম প্রথম আলোকে জানান, আসামিদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আদালত প্রধান আসামি ফেরদৌসের চার দিন এবং বাকি তিনজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিল না।
"আসামিদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী দলের সক্রিয় সদস্য বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের পরিচয় ও অবস্থান শনাক্ত, পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং মামলার অন্যান্য তথ্য উদ্ধারে রিমান্ডে নিয়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলামোটর, ঢাকা (নিউ ইস্কাটন এলাকা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফেরদৌস আহমেদ সাইমন (৩৮), মো. ওমর (৩২), মো. মোর্শেদ (২৫), মো. শাওন (২৫), মো. সোহান (বাদী), মো. মোক্তার হোসেন (ভগ্নিপতি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫০ হাজার টাকা (চাঁদা), ৩ রাউন্ড (ফাঁকা গুলি), ৪ জন (রিমান্ডে), ৭ দিন (রিমান্ড মেয়াদ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!