📌 বাংলাদেশ বার কাউন্সিল সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করেছে আইনজীবী হওয়ার জন্য। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন
বাংলাদেশে আইনজীবী হওয়ার সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মাধ্যমে। ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে আইনজীবী হওয়া বাধ্যতামূলক হবে।
- 📌 ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।
- 📌 ১৯ আগস্টের বার কাউন্সিলের বৈঠকে ১৫ জন সদস্য একমত হয়েছিলেন এই সিদ্ধান্তে।
- 📌 আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, অবসরপ্রাপ্তদের আইনজীবী হওয়ার পথ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- 📌 অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, আইন পেশার মর্যাদা ও মান বৃদ্ধির জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
আইন পেশায় প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, ‘কেউ মনে করেন অবসরের পর আইনজীবী হওয়ার লাইসেন্স নিয়ে শেষ জীবনে ওকালতি করে খাই। সেই পথ বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যাঁরা আইনজীবী হতে চান, তাদের ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে এই পেশায় প্রবেশ করতে হবে।’
‘কনভোকেশন অ্যান্ড ওরিয়েন্টেশন: অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস-ইউএনডিপি ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের দ্বিতীয় ব্যাচের সমাপনী এবং তৃতীয় ব্যাচের ইন্টার্নদের বরণ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন রড্রিক্স, বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় কমিটির সভাপতি জহরত আদিব চৌধুরী। সঞ্চালনায় ছিলেন ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের পরিচালক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাসনুভা শেলী ও ইউএনডিপির সিনিয়র উপদেষ্টা রোমানা সোয়াইগার।
বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, ‘১৯ আগস্টের অ্যাডহক কমিটির বৈঠকে ১৫ জন সদস্য একমত হয়েছিলেন যে, আইন পেশার মর্যাদা ও মান বৃদ্ধির জন্য বয়সসীমা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।’ তিনি বলেন, ‘আইন পেশায় প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হয়েছে।’
"আইন পেশায় প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর করা হয়েছে। অলরেডি সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আমরা এমন একটা জায়গায় আনতে চাচ্ছি যাতে আইন পেশার মান ও মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর (সর্বোচ্চ বয়সসীমা), ১ জানুয়ারি ২০৩০ (কার্যকরতার তারিখ), ১৯ আগস্ট (সিদ্ধান্তের তারিখ), ১৫ জন (কমিটির সদস্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!