📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাল্যবিবাহে জড়িতদের কী শাস্তি? আইন ২০১৭-এর সাজা ও বিধান

বাল্যবিবাহে জড়িতদের কী শাস্তি? আইন ২০১৭-এর সাজা ও বিধান

📷 ছবি: বিডিনিউজ২৪

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 BDNews24 ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম মেয়ের বা ২১ বছরের কম ছেলের বিয়ে বাল্যবিবাহ। আইনে মা-বাবা, অভিভাবক, বিয়ে পড়ানোর ব্যক্তি ও নিবন্ধনকারীসহ সবার জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর অধীনে বাল্যবিবাহের শাস্তি ও বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বা ২১ বছরের কম বয়সী ছেলের বিয়ে বাল্যবিবাহ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের বিয়েতে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য আইনে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাল্যবিবাহের সংজ্ঞা: ১৮ বছরের কম বয়সী মেয়ের বা ২১ বছরের কম বয়সী ছেলের বিয়ে বাল্যবিবাহ হিসেবে আইনে সংজ্ঞায়িত
  • 📌 মা-বাবা ও অভিভাবকদের শাস্তি: আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, মা-বাবা বা অভিভাবক যদি বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করতে চায়, অনুমতি দেয়, বা বিয়ে বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে
  • 📌 বাল্যবিবাহ পড়ানোর ব্যক্তিদের শাস্তি: আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, বাল্যবিবাহ পড়ানোর বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদেরও ছয় মাস থেকে দুই বছর কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে
  • 📌 নিবন্ধনকারীদের শাস্তি: বাল্যবিবাহ নিবন্ধনকারী ব্যক্তির লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিলের বিধান রয়েছে এবং একই শাস্তি প্রযোজ্য
  • 📌 জরিমানার অপেক্ষা: জরিমানার অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ তিন মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড হতে পারে

📰 বিস্তারিত

বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭-এর অধীনে বাল্যবিবাহের শাস্তি সম্পর্কে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। এই আইনে বলা হয়েছে যে, বাল্যবিবাহ শুধু পাত্র-পাত্রীকেই ঝুঁকিতে ফেলে না, বরং বাল্যবিবাহ পড়ানোর ব্যক্তি, মা-বাবা, অভিভাবক, নিবন্ধনকারীসহ অন্য সবার জন্যও শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী, মা-বাবা বা অন্য কোনো ব্যক্তি যদি আইনবহির্ভূতভাবে অপ্রাপ্তবয়স্কের ওপর কর্তৃত্ব দেখিয়ে বাল্যবিবাহ সম্পন্ন করতে চায়, অনুমতি দেয় বা বিয়ে বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই ধরনের অপরাধে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।

আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী, বাল্যবিবাহ পড়ানোর বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্যও শাস্তির বিধান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে। বাল্যবিবাহ নিবন্ধনকারীর জন্যও একই শাস্তির বিধান প্রযোজ্য। পাশাপাশি, বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের কারণে তার লাইসেন্স বা নিয়োগ বাতিল করার কথাও আইনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই আইনের অধীনে, জরিমানার অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে আরও সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড হতে পারে। পরিস্থিতি অনুযায়ী কারাদণ্ড ও জরিমানা দুটিই হতে পারে। এই আইনের লক্ষ্য হলো বাল্যবিবাহ রোধ করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষা করা।

"আইনের ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বাল্যবিবাহ পড়ানো বা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তির জন্যও শাস্তির বিধান রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড হতে পারে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মা-বাবা, অভিভাবক, বাল্যবিবাহ পড়ানোর ব্যক্তি, নিবন্ধনকারী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: আইনের ৮ ও ৯ ধারা, ১৮ বছর (মেয়ের বয়স), ২১ বছর (ছেলের বয়স), ৫০ হাজার টাকা (জরিমানা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖