📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাগেরহাটে একা ডিউটিতে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে হেনস্তা: ভিডিওতে অভিযোগের বিস্তারিত

বাগেরহাটে একা ডিউটিতে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে নারী চিকিৎসককে হেনস্তা: ভিডিওতে অভিযোগের বিস্তারিত

📷 ছবি: আমাদের সময়

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Amader Shomoy ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে একা ডিউটিতে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে নারী চিকিৎসক ডা. সাকিয়া হককে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় নেতা ও সঙ্গীদের হেনস্তা করা হয়। ভিডিওতে তিনি বলেছেন, ক্যানুলা পরানোর বিষয়ে গালাগাল ও মারধোরের অভিযোগ করেছেন।

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে একা ডিউটিতে দায়িত্ব পালনকারী নারী চিকিৎসক ডা. সাকিয়া হককে রাত ১২টার দিকে স্থানীয় নেতা ও সঙ্গীদের হেনস্তা করা হয়। ভিডিওতে তিনি অভিযোগ করেছেন, ক্যানুলা পরানোর বিষয়ে গালাগাল ও মারধোরের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটে গত রোববার রাত ১২টার দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাকিয়া হককে রাত ১২টার দিকে হেনস্তা করা হয়, যেখানে তিনি একা ডিউটিতে ২৫০ শয্যার হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
  • 📌 রোগীর শরীরে ক্যানুলা পরানোর বিষয়ে রোগীর সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা মারমুখী হয়ে উঠেন এবং চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে গালাগাল শুরু করেন।
  • 📌 ডা. সাকিয়া হক ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে বলেছেন, ‘কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে অভিযোগ করেননি, তবে কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন’।
  • 📌 বাগেরহাট জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে নিন্দা করেছেন।
  • 📌 হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার বলেছেন, ‘হাসপাতালে পাঁচ শতাধিক রোগী ভর্তি থাকলেও প্রয়োজনীয় জনবলের এক-তৃতীয়াংশও নেই’।

📰 বিস্তারিত

বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. সাকিয়া হক গত রোববার রাত ১২টার দিকে একা ডিউটিতে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি বলেছেন, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বুকে ও পেটে ব্যথা নিয়ে এক রোগী জরুরি বিভাগে আসেন। প্রথমে তার ইসিজি করা হয়। পরীক্ষা শেষে হৃদ্যন্ত্রের কোনো সমস্যা না পাওয়ার পর গ্যাসের সমস্যার জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ইনজেকশন দেওয়ার জন্য রোগীর শরীরে ক্যানুলা পরাতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ইন্টার্ন চিকিৎসক প্রথমবার ব্যর্থ হন। পরে একজন ওয়ার্ডবয় দ্বিতীয়বার চেষ্টা করেন। এতে রোগীর সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং মারমুখী হয়ে উঠেন।

ডা. সাকিয়া বলেন, ‘তারা আমার কক্ষে ঢুকে গালাগাল শুরু করেন এবং বারবার মারতে তেড়ে আসেন। রোগীর সঙ্গে আসা কয়েকজন বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। তারা গায়ে হাত দেননি, তবে পরিস্থিতি এমন ছিল যে তারা গায়ে হাত দিতেন কি না, তা বলা কঠিন।’ চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে হাসপাতালের কর্মী ও অন্য রোগীর স্বজনেরা এগিয়ে আসেন। পরে হাসপাতালের কর্মীরা তাদের কক্ষ থেকে সরিয়ে দেন।

ভুক্তভোগী চিকিৎসক ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট করে বলেছেন, ‘ক্যানুলা পরানোর সময় অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থতা আসতে পারে। সেখানে অনেক মানুষের ভিড়ও বাড়তি চাপ তৈরি করে। রোগীর সঙ্গে আসা ব্যক্তিদের দাবি ছিল, চিকিৎসককেই ক্যানুলা পরাতে হবে। বাস্তবতা হলো, একজন চিকিৎসকের পক্ষে সব কাজ একা করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া হাসপাতালে দায়িত্বরত নার্স ও ওয়ার্ড বয়দেরও এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে। তবে কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের কক্ষে ঢুকে গালাগাল করা বা মারতে তেড়ে আসা গ্রহণযোগ্য নয়।’

"কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে উদ্দেশ্য করে আমি অভিযোগ করেননি। একই সঙ্গে কর্মপরিবেশ ও পেশাগত নিরাপত্তা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল, জরুরি বিভাগ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. সাকিয়া হক (সহকারী রেজিস্ট্রার), আবু হানিফ হানু (সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক), সরদার লিয়াকত আলী (সাবেক সভাপতি), ডা. অসীম কুমার সমাদ্দার (হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল, ৮-১০ জন আক্রমণাত্মক ব্যক্তি, ২০ মিনিট পর্যবেক্ষণকাল

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖