📌 বাগেরহাটের একটি প্রতারণা চক্র গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা চুরি করে। পুলিশ ৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে ৮০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে
বাগেরহাটে বায়োমেট্রিক তথ্য জালিয়াতির মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি প্রতারণা চক্রের ৯ সদস্যকে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করে সিম রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করতেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাগেরহাটে বায়োমেট্রিক প্রতারণায় ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা চুরি করা হয়েছে
- 📌 ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে ৪ জন কারাগারে রয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১১টি মোবাইল ফোন ও ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে
- 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের নাম: ইয়াছিন সওদাগর, মো. শামীম মেখ, রাশেদ মোড়ল, এহসানুল হাসান রাকিব, ফেরদাউস, আশরাফুল ইসলাম, মেহেদী হাসান, মো. নাজমুল হাসান ও মো. মামুন গাজী
- 📌 এই চক্র আগেও একই ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল
📰 বিস্তারিত
বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তথ্য মতে, গ্রেপ্তারকৃতরা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করে সিম রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতেন। তারা স্ক্রিনে ভেসে ওঠা ফিঙ্গারপ্রিন্ট রেকর্ড আলাদা করে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্যে কৃত্রিম আঙুলের ছাপ তৈরি করতেন। এরপর নতুন সিম চালু করে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা নিজেদের অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করতেন।
২৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১১টায় বাগেরহাট পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। পুলিশ জানায়, গত ২৭ জুন ভোরে এই চক্র ৩টি সিম থেকে মোট ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে চুরি করেছিল। মোংলা থানায় এই ঘটনার মামলা দায়েরের পর প্রথমে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে আরও ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৪ জন কারাগারে রয়েছে এবং বাকি ৫ জনকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের সদস্যরা আগেও একই ধরনের অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিল। বর্তমানে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের প্রচেষ্টা চলছে।
"আমরা গ্রাহকদের আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করে সিম রিপ্লেসমেন্টের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চুরি করতাম। এভাবে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা চুরি করেছিলাম।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাগেরহাট জেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জামিরুল ইসলাম (পুলিশ সুপার), ইয়াছিন সওদাগর, মেহেদী হাসান, মো. নাজমুল হাসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ জন গ্রেপ্তার, ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৬৮ টাকা চুরি, ১১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার, ৮০ হাজার ৭৪০ টাকা উদ্ধার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!