📌 অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীনকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। স্বামী আওলাদ হোসাইন ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দিয়ে বাংলাদেশের আমলা ও পুলিশকে প্রভাবিত করেন। অস্ট্রেলিয়া পুলিশ আওলাদকে গ্রেপ্তার করেছে
অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীনকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। স্বামী আওলাদ হোসাইন অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবার আগে স্ত্রীকে হত্যা করেন এবং বাংলাদেশের পুলিশ ও আমলাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দিয়ে তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) আওলাদকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত চলছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীনকে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয় নবাবগঞ্জের পশ্চিম পাতিলঝাপ গ্রামে।
- 📌 স্বামী আওলাদ হোসাইন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে যাবার আগে স্ত্রীকে হত্যা করেন এবং বাংলাদেশের পুলিশ ও আমলাদের ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার ঘুষ দেন।
- 📌 অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ (এএফপি) আওলাদকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তদন্ত চলছে।
- 📌 রেহানার মা আইরিন আক্তার ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নবাবগঞ্জ থানায় অপহরণ মামলা করেন।
- 📌 মামলায় আওলাদ হোসাইন, তাঁর দুই বোন পাপিয়া আক্তার ও মাকসুদা বেগম এবং চাচা আমজাদ হোসাইনকে আসামি করা হয়।
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক রেহানা পারভীন–আওলাদ হোসাইন দম্পতির জীবনে একটি ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। রেহানা পারভীন অস্ট্রেলিয়া থেকে ২০২৪ সালের ৬ জুন ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের পশ্চিম পাতিলঝাপ গ্রামে আসেন। তাঁর বাবার নাম লেহাজ উদ্দিন। একই বছরের ২৯ জুন তাঁর স্বামী আওলাদও দেশে আসেন। পরদিন অন্তস্বত্ত্বা স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে আওলাদ নবাবগঞ্জের বক্সনগরের ছোট রাজাপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে যান। এরপর থেকে রেহানা নিখোঁজ হন।
২০২৪ সালের ৪ জুলাই অসুস্থ রেহানাকে আশুলিয়ায় পাপিয়া আক্তারের বাড়িতে নিয়ে যান আওলাদ। ৫ জুলাই রাতে স্বামী–স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই রাতে আওলাদের চাচাতো ভাই কবির হোসেন ও চাচা আমজাদ হোসাইন রেহানার হাত–পা চেপে ধরেন। আওলাদ পেটের ওপর উঠে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে রেহানাকে হত্যা করেন। পরে পাপিয়ার বাড়ির সামনে একটি সেপটিক ট্যাংকের পাশে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। ১১ জুলাই আওলাদ বড় মেয়েকে দেশে রেখেই অস্ট্রেলিয়া চলে যান।
তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর হাসান খান বলেন, হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ছিল। মূলত পারিবারিক কলহ এবং স্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ছিল। রেহানা হত্যায় আওলাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় বাংলাদেশ পুলিশ ইন্টারপোলের সহযোগিতা চায়। বাংলাদেশ পুলিশের আবেদনের পর আওলাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি করা হয়। অস্ট্রেলিয়া পুলিশ বাংলাদেশ থেকে সব তথ্য নেয় এবং আওলাদকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়।
"হত্যাকাণ্ডটি পরিকল্পিত ছিল। মূলত পারিবারিক কলহ এবং স্ত্রীর সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ ছিল।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নবাবগঞ্জ উপজেলা, ঢাকা, অস্ট্রেলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রেহানা পারভীন, আওলাদ হোসাইন, পাপিয়া আক্তার, মাকসুদা বেগম, আমজাদ হোসাইন, কবির হোসেন, লেহাজ উদ্দিন, আইরিন আক্তার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার, ৬ জুন, ২৯ জুন, ৩ জুলাই, ৭ জুলাই, ৫ আগস্ট, ৮ সেপ্টেম্বর, ১২ সেপ্টেম্বর, ৩১ আগস্ট, ৪ জুলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!