📅 ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আশুলিয়া হত্যাকাণ্ডে পলাতক স্বামী সীমান্তে গ্রেপ্তার: বিথী আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি

আশুলিয়া হত্যাকাণ্ডে পলাতক স্বামী সীমান্তে গ্রেপ্তার: বিথী আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আশুলিয়ায় ২২ বছর বয়সী বিথী আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে তাঁর স্বামী মো. মজনু রাজাকে (৩৯) চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে পিবিআই গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা মজনু ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন

আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকায় শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে পলাতক থাকা ৩৯ বছর বয়সী মো. মজনু রাজাকে (৩৯) চাঁপাইনবাবগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে থাকা মজনু ৯ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টায় ভোলাহাটের সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আশুলিয়ায় ২২ বছর বয়সী বিথী আক্তারকে (২২) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়; ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকা স্বামী মো. মজনু রাজাকে (৩৯) সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
  • 📌 ১২ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় বিথীকে হত্যা করা হয়; পরদিন ভোর সাড়ে ৫টায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়
  • 📌 বিথীর কর্মস্থলের সহকর্মীদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে মজনুর সন্দেহ ছিল; ঘটনার দিন রাত ১১টায় বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়
  • 📌 মজনু বিথীকে ধাক্কা দিয়ে খাটে ফেলে দেন; পরে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন
  • 📌 পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ জানান, ঘটনার পর থেকেই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামিকে শনাক্ত করার জন্য তদন্ত চলছে

📰 বিস্তারিত

গত ১২ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া রূপায়ণ মাঠসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় বিথী আক্তারকে (২২) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরদিন ভোর সাড়ে ৫টায় ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে তাঁর গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। বিথীর বাবা বাদশা মিয়া বাদী হয়ে মজনু রাজাকে আসামি করে আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। ঘটনার পর থেকে মজনু পলাতক ছিলেন।

পিবিআই জানায়, বিথী আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। তাঁর স্বামী মজনু গাজীপুরের কাশিমপুরের শৈলডুবি এলাকার একটি অটোগ্যারেজে মেকানিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। প্রায় চার বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর তাঁরা আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় বিথীর মা-বাবার বাসার পাশে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন।

পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্ত্রীর কর্মস্থলের সহকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা ও মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে মজনুর সন্দেহ ছিল। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ হতো। ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে গ্যারেজের কাজ শেষে বাসায় ফেরেন মজনু। স্ত্রীর পরকীয়ায় জড়িত থাকার সন্দেহ থেকে তাঁদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তিনি বিথীকে ধাক্কা দিয়ে খাটে ফেলে দেন। পরে খাটে থাকা গামছা তাঁর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। এরপর ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে আত্মগোপনে চলে যান তিনি।

পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, ঘটনার পর থেকেই হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িত আসামিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত চালানো হয়। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

"স্ত্রীর কর্মস্থলের সহকর্মীদের সঙ্গে চলাফেরা ও মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে মজনুর সন্দেহ ছিল। ঘটনার দিন রাত ১১টার দিকে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে তিনি বিথীকে ধাক্কা দিয়ে খাটে ফেলে দেন। পরে খাটে থাকা গামছা তাঁর গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আশুলিয়া (রংপুর), চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট, গাজীপুরের শৈলডুবি
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মজনু রাজা (৩৯), বিথী আক্তার (২২), বাদশা মিয়া, পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ (বিথীর বয়স), ৩৯ (মজনুর বয়স), ১৬৪ (ধারা), ১২ (আগস্ট), ১১ (টা), ১৩ (আগস্ট), ৫ (টা), ৯ (অক্টোবর), ৮ (টা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖