📅 ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৪৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আশুলিয়ার মেডিক্যাল কলেজ জমিতে বিএনপি নেতাদের আড়ত নির্মাণ: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দখল ও জোরপূর্বক নির্মাণ

আশুলিয়ার মেডিক্যাল কলেজ জমিতে বিএনপি নেতাদের আড়ত নির্মাণ: স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ দখল ও জোরপূর্বক নির্মাণ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার আশুলিয়ায় একটি প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের জমিতে বিএনপি নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে আড়ত নির্মাণ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, জমিটি স্থায়ীভাবে দখল করা হচ্ছে এবং জোরপূর্বক নির্মাণ কাজে শ্রমিকদের মারধর করা হচ্ছে। ২০১০ সালে স্কুলের জমি থেকে ১৬৪ শতাংশ মেডিক্যাল কলেজের নামে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে বিএনপি নেতারা জমি দখল করে আড়ত নির্মাণ করছে

ঢাকার আশুলিয়ার একটি প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের জমিতে বিএনপি নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে আড়ত নির্মাণের কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, জমিটি স্থায়ীভাবে দখল করা হচ্ছে এবং জোরপূর্বক নির্মাণ কাজে শ্রমিকদের মারধর করা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্র ও নথিপত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের জমি থেকে ১৬৪ শতাংশ মেডিক্যাল কলেজের নামে দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে বিএনপি নেতারা জমি দখল করে আড়ত নির্মাণ করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঢাকার আশুলিয়ার একটি প্রস্তাবিত মেডিক্যাল কলেজের জমিতে বিএনপি নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থে আড়ত নির্মাণ চলছে।
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করছেন, জমিটি স্থায়ীভাবে দখল করা হচ্ছে এবং মেডিক্যাল কলেজের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে।
  • 📌 ২০১০ সালে স্কুলের জমি থেকে ১৬৪ শতাংশ মেডিক্যাল কলেজের নামে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে বিএনপি নেতারা জমি দখল করে আড়ত নির্মাণ করছে।
  • 📌 ৪ অক্টোবর স্থানীয়ভাবে দেখা যায়, জমিতে জোরেশোরে কাঁচামালের আড়ত নির্মাণের কাজ চলছে।
  • 📌 ৮ অক্টোবর প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক সাজিদ হোসেন দেখেন, আড়ত নির্মাণের জায়গায় পাঁচজন ব্যক্তি এক ব্যক্তিকে মারধর করছিলেন।
  • 📌 তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি একা কাজটি করেননি এবং কামারপাড়া স্কুলকে টাকা দিয়েছেন।
  • 📌 আড়ত নির্মাণের কাজ করছে রফিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন নামের প্রতিষ্ঠান। মাসে ভাড়া ১৬ লাখ টাকা।

📰 বিস্তারিত

কামারপাড়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের জমিতে প্রস্তাবিত উত্তরা বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজের জায়গায় বর্তমানে আড়ত নির্মাণ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আড়ত তৈরির মাধ্যমে জমিটি স্থায়ীভাবে দখল করা হচ্ছে এবং মেডিক্যাল কলেজের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্র ও নথিপত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে স্কুলের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটি বিদ্যালয়টির জমি থেকে ১৬৪ শতাংশ মেডিক্যাল কলেজের নামে দেয়। তখন আওয়ামী লীগের দাপট ছিল এবং মেডিক্যাল কলেজের নাম বঙ্গবন্ধুর নামে রাখা হয়েছিল।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের নেতারা এলাকা ছাড়ার পর বিএনপির নেতা-কর্মীরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমির দখল ও আড়ত নির্মাণের পিছনে বিএনপি নেতাদের ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, এলাকায় ভালো চিকিৎসাকেন্দ্র না থাকায় স্কুলের জমিতে হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে বিএনপি নেতারা জমি দখল করে আড়ত নির্মাণ করছেন।

৪ অক্টোবর স্থানীয়ভাবে দেখা যায়, হাসপাতালের জমিতে জোরেশোরে কাঁচামালের আড়ত নির্মাণের কাজ চলছে। আড়ত নির্মাণের জন্য জমির সীমানাপ্রাচীরের একটি বড় অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। দেয়ালে ব্যানার টাঙানো হয়েছে, তাতে লেখা ‘কাঁচামালের আড়ত, দোকান বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে’। স্থানীয় সূত্র বলছে, স্কুলের নিয়ন্ত্রণ মোস্তফা জামানের হাতে। তিনি জমিটি ভাড়া দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন এবং ভাড়া নিয়েছেন তাঁরই অনুসারীরা।

৮ অক্টোবর প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক সাজিদ হোসেন তুরাগ থানার কামারপাড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে আশুলিয়ার দিকে গিয়ে দেখেন, আড়ত নির্মাণের জায়গায় পাঁচজন ব্যক্তি এক ব্যক্তিকে মারধর করছিলেন। ওই ব্যক্তিরা বলছিলেন, ‘এই কামে আর কথা কইলেই তোরে মাইরা ফালামু’। সাজিদ হোসেন তখন একটু দূরে গিয়ে ড্রোনের সাহায্যে ছবি তোলা শুরু করেন। একপর্যায়ে আড়ত নির্মাণের তদারকিতে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি তাঁর দিকে তেড়ে আসেন। তখন সাজিদ মোটরসাইকেল নিয়ে এলাকা ত্যাগ করেন।

"আমি তিন মাস স্ট্যান্ড রেখেছিলাম। তখন কামারপাড়া স্কুলকেও টাকা দিয়েছি।"

তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম বলেন, তিনি একা কাজটি করেননি। সেখানে আরও একটি পক্ষ ছিল। তিনি দাবি করেন, তিনি একা কাজটি করেননি এবং কামারপাড়া স্কুলকে টাকা দিয়েছেন। তবে সমালোচনার মুখে ট্রাকস্ট্যান্ড সরিয়ে নিতে বাধ্য হন জহিরুল। বর্তমানে আড়ত তৈরির কাজটি করছে রফিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মাঠ ভাড়া নিয়ে তিনি কাজটি করছেন। মাসে ভাড়া ১৬ লাখ টাকা।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার আশুলিয়া, তুরাগ থানা, কামারপাড়া বাসস্ট্যান্ড
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহিরুল ইসলাম (তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক), মোস্তফা জামান (ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব), রফিকুল ইসলাম (রফিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন পরিচালক), সাজিদ হোসেন (প্রথম আলোর ফটোসাংবাদিক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪ শতাংশ (জমি), ৪ অক্টোবর (আড়ত নির্মাণের দিন), ৮ অক্টোবর (মারধর ঘটনার দিন), ১৬ লাখ টাকা (মাসিক ভাড়া)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖