📅 ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের চেয়ারম্যান-এমডি ২২ বছর কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড: আদালতের রায়

অ্যাপল গ্লোবাল টেলের চেয়ারম্যান-এমডি ২২ বছর কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড: আদালতের রায়

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ অভিউর রহমান খান ও মহি উদ্দিন মজুমদারকে আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল পাচারের মামলায় ২২ বছর করে কারাদণ্ড ও ৯২৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। দুজনই পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ সোমবার (১৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল পাচারের মামলায় অ্যাপল গ্লোবাল টেল কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহি উদ্দিন মজুমদার ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) অভিউর রহমান খানকে ২২ বছর করে কারাদণ্ড ও ৯২৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। এই রায়ে দুজন আসামিকে অর্থ পাচারের দায়ে ১২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২২ বছর কারাদণ্ড: অভিউর রহমান খান ও মহি উদ্দিন মজুমদারকে দুটি মামলার সাজা মিলিয়ে ২২ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 ৯২৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড: অর্থ পাচারের দায়ে তাদের ৯২৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের সাজা থাকবে।
  • 📌 ১০ লাখ টাকা জরিমানা: অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে প্রত্যেক আসামিকে ১০ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আরও ১ বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের সাজা থাকবে।
  • 📌 গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: দুজন আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
  • 📌 সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত: জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।

📰 বিস্তারিত

দুদক কর্তৃক ২০২২ সালে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ ছিল আন্তর্জাতিক ইনকামিং কলের মাধ্যমে ৪৬৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকার বেশি অর্থ পাচার ও অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ। বিচার চলাকালে আদালত আট সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। ৫ অক্টোবর দুদক ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুনের রায়ে দুজন আসামিকে অর্থ পাচারের দায়ে ১২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের দায়ে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দুদকের প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জানান, রায় ঘোষণার সময় দুজন আসামি পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আদালত রায়ে উল্লেখ করেছে যে, অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

"দুটি ধারার সাজা মিলিয়ে প্রত্যেক আসামির কারাদণ্ডের মেয়াদ হবে ২২ বছর করে। আসামিরা জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাঁদের নামে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুন, প্রসিকিউটর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, অভিউর রহমান খান, মহি উদ্দিন মজুমদার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর কারাদণ্ড, ৯২৬ কোটি ৭৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, ৪৬৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা পাচার, ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড, ১০ লাখ টাকা জরিমানা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖