📅 ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আনিসুল-সালমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ আবেদন ১০ মাসে নিষ্পত্তি না হলে আসামি দুজন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন: আইনজীবী

আনিসুল-সালমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ আবেদন ১০ মাসে নিষ্পত্তি না হলে আসামি দুজন ক্ষতিগ্রস্ত হবেন: আইনজীবী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন ১০ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি। আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানান, সুপ্রিম কোর্ট খোলার পর এই বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ চলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান মামলায় আসামি দুজন কারাগারে বন্দি

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ চলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান মামলায় আসামি সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন ১০ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি। আসামিপক্ষের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানান, এই মামলায় আসামি দুজনকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে যদি আবেদনটি দেরীতে নিষ্পত্তি হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমান গত ডিসেম্বর থেকে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করছেন, কিন্তু ১০ মাসেও নিষ্পত্তি হয়নি।
  • 📌 ১২ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন মামলায়, কিন্তু প্রি-ট্রায়াল পর্যায়ে আসামি দুজন বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করেছিলেন।
  • 📌 বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরেই এই বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে।
  • 📌 ২৮ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে সালমানের আবেদন শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে, কিন্তু এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
  • 📌 আইন অনুযায়ী (১১ নং ধারা, ৮ উপধারা) ট্রাইব্যুনালকে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের অনুমতি দেওয়ার জন্য বার কাউন্সিলের পূর্বানুমতি প্রয়োজন।

📰 বিস্তারিত

আনিসুল হক ও সালমান এফ রহমানের পক্ষে আসামিপক্ষের আইনজীবী পলাশ চন্দ্র রায় জানান, মামলাটি প্রি-ট্রায়াল পর্যায়ে থাকাকালীন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তারা বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের আবেদন করেছিলেন। জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এই আবেদন বার কাউন্সিলে পাঠানো হয়েছিল। তবে ১০ মাস পরও কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

আসামি দুজন বর্তমানে কারাগারে বন্দি। মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয় ২০২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মাধ্যমে। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মামলায় ১২ জন সাক্ষী জবানবন্দি দিয়েছেন।

বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, সুপ্রিম কোর্ট বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সব সদস্য ঢাকায় নেই। সুপ্রিম কোর্ট খোলার পরেই এই বিষয়টি নিষ্পত্তি হবে। তিনি বলেন, "সেই সভা যখন হবে, তখন বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের যত আবেদন আছে, সব দেখা হবে।"

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মো. মিজানুল ইসলাম জানান, ২০২৪ সালে আইন পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন ট্রাইব্যুনাল নিজেই দেখতে পারবে, কেন আবেদনটি বিলম্বিত হচ্ছে। তিনি বলেন, "উচ্চ আদালত কী করবেন, সেটা পরের ব্যাপার।"

সালমান এফ রহমানের পক্ষে ২১ সেপ্টেম্বর ট্রাইব্যুনালে আবেদন করা হয়েছিল। এতে বলা হয়েছিল, তিনি আগে একটি আবেদনে জেল কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের জন্য পদক্ষেপ নেওয়ার। ট্রাইব্যুনাল গত ১০ ডিসেম্বর সেই আবেদন মঞ্জুর করেছিল। তবে বার কাউন্সিল এখনও কোনো পদক্ষেপ নেনি।

"আমরা যখন সুপ্রিম কোর্টে আসবো, তখন এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেই সভায় সব আবেদন দেখানো হবে।"

— মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনিসুল হক, সালমান এফ রহমান, পলাশ চন্দ্র রায়, মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, মো. মিজানুল ইসলাম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ মাস, ১২ জন সাক্ষী, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২৫ অক্টোবর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖