📌 মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে বিএনপি ও জামায়াতপন্থী আইনজীবীদের মধ্যে আদালতের ভেতরে-বাইরে হট্টগোল ও হাতাহাতি ঘটে। বিচারক দু'বার এজলাস ছেড়ে যান। পুলিশের দাবি: আসামি মামলার ঘটনা স্বীকার করেছেন। আইনজীবী দাবি: রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারকের উপস্থিতিতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুরে ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে এই ঘটনা সংঘটিত হয়। আইনজীবীদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যে বিচারক একবার খাসকামরায় ফিরে যান। পরে শুনানি শুরু হলেও আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। আখতারুজ্জামানকে আদালত ভবনের নিচে নামানোর সময়ও আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে বিচারকের উপস্থিতিতে আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও হাতাহাতি ঘটে, বিচারক দু'বার এজলাস ছেড়ে যান
- 📌 বিমানবন্দর লাগেজ সংকটে মামলায় আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ, এক দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হয়
- 📌 আখতারুজ্জামান আদালতকে বলেন, ‘আমার পক্ষে ১০ জন আইনজীবী শুনানি করবেন’
- 📌 তদন্ত কর্মকর্তা দাবি করেন, আসামি মামলার ঘটনা স্বীকার করেছেন এবং তথ্য প্রদান করেছেন
- 📌 আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক দাবি করেন, আখতারুজ্জামানকে রাজনৈতিক কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী দাবি করেন, আসামি বিমানবন্দরে অপরাধ করেছেন, প্রতিবাদ নয়
📰 বিস্তারিত
মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের জামিন আবেদনের শুনানিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারকের উপস্থিতিতে আইনজীবীদের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিচারক জামসেদ আলম দুপুর ২টা ৪১ মিনিটে এজলাসে আসেন, কিন্তু আইনজীবীদের উত্তেজনা থামেনি। পরিস্থিতি দেখে বিচারক খাসকামরায় চলে যান। পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে ২টা ৪৫ মিনিটে আবার এজলাসে আসেন তিনি। শুনানির সময়ও আইনজীবীদের মধ্যে তর্কাতর্কি ও পোশাক টানাটানি ঘটে।
আখতারুজ্জামানকে আদালত ভবনের নিচে নামানোর সময় আবারও আইনজীবীদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে। পুলিশের দাবি, আসামি মামলার ঘটনার বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং তথ্য প্রদান করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘আসামির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যাদি যাচাই-বাচাই করা হচ্ছে। মামলার জোর তদন্ত অব্যাহত আছে।’
আখতারুজ্জামানের পক্ষে আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক আদালতকে বলেন, ‘তিনি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বিমানবন্দরে তাঁর সঙ্গে অন্যায় আচরণ হয়েছে। একজন মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও সাবেক মেজর জেনারেল হিসেবে তাঁকে সম্মান করা উচিত ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘তিনি অসুস্থ, নানা রোগে আক্রান্ত। আমরা জামিনের আবেদন জানাচ্ছি।’
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী দাবি করেন, ‘আসামি বিমানবন্দরে খুবই বাজে আচরণ করেছেন। তিনি এলোপাতাড়িভাবে মালামাল ছুড়ে মারছেন। প্রতিবাদ কোনো অপরাধ নয়, কিন্তু প্রতিবাদের ভাষাটা হতে হবে প্রতিবাদের মতো। তিনি সেখানে প্রতিবাদ করেননি, তিনি অপরাধ করেছেন।’
"আমার পক্ষে ১০ জন আইনজীবী শুনানি করবেন। ১০ জনকেই হেয়ারিং করার অনুমতি প্রার্থনা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, বিচারক জামসেদ আলম, আইনজীবী আবদুর রাজ্জাক, উপপরিদর্শক মাজেদুল ইসলাম, আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২টা ৪১ মিনিট, ২টা ৪৫ মিনিট, ১০ জন আইনজীবী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!