📌 আদাবরে ময়লা ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা মো. বশিরকে মারধর করা হয়। আহত নেতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, তার মাথায় সাতটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে
রাজধানীর আদাবরে ময়লা ব্যবসা নিয়ে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপি নেতা মো. বশির (৪৭) মারধর করা হয়। আহত নেতা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। তার মাথায় সাতটি সেলাই দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ছেলে মো. ছিফাত উল্লাহ হৃদয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আদাবরে ময়লা ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপি নেতা মো. বশির মারধর, মাথায় সাতটি সেলাই
- 📌 আহত নেতা ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সভাপতি, পেশায় ভাঙারি ব্যবসায়ী
- 📌 মামলায় ইমন মুন্সিসহ আটজনের নাম উল্লেখ, দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন, তদন্ত চলছে
- 📌 সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, চারজন হামলাকারী চাপাতি ও রড দিয়ে নেতাকে মারধর
📰 বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে আদাবরের ১০ নম্বর রোডে এই ঘটনা ঘটে। আহত বশিরের ছেলে মো. হৃদয় জানান, স্থানীয় বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহের ব্যবসায় বিরোধের জেরে এই হামলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মোহাম্মদপুরের শীর্ষ চাঁদাবাজ ইমন মুন্সির লোকজন আওয়ামী লীগের সঙ্গে মিলে অতিরিক্ত বিল আদায় করতেন। তাঁদের বাদ দিয়ে অন্যদের কাজ দিতে ভবনমালিকেরা বশিরের বাবাকে দায়িত্ব দেন। এর জেরে বিরোধ তৈরি হয় এবং কয়েক দিন আগে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছিল।
আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর জানান, মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলায় তাদের নাম উল্লেখ করা নেই। তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তবে হামলার বিষয়ে তদন্ত চলছে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, চারজন হামলাকারী চাপাতি ও রড দিয়ে নেতাকে মারধর করেছেন।
মামলায় ইমন মুন্সিসহ আটজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মো. রোমন, ইমরান, মো. সাগর, মো. বাদল, মো. সজল, মো. অহিদুল ইসলাম ও মো. হযরত। পুলিশ জানায়, ময়লা ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী মামলা করেছেন এবং হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
"আহতের ছেলে মো. হৃদয় জানান, স্থানীয় বাসাবাড়ি থেকে ময়লা সংগ্রহের ব্যবসায় বিরোধের জেরে তাঁর বাবাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আদাবর, রাজধানী ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. বশির (৪৭), মো. ছিফাত উল্লাহ হৃদয়, ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, ইমন মুন্সি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৭ বছর বয়সী বশির, ৮ অক্টোবর রাত ১০টা, ১০ নম্বর রোড, ২৯ নম্বর ওয়ার্ড, ১ হাজার ৬০০ কোটি টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!