📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুয়েটের নির্যাতন-হত্যা মামলায় আপিল শুনানি বিলম্বিত, আবরারের পরিবার চাই দ্রুত বিচার

বুয়েটের নির্যাতন-হত্যা মামলায় আপিল শুনানি বিলম্বিত, আবরারের পরিবার চাই দ্রুত বিচার

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও আপিল বিভাগে মামলার শুনানি শুরু হয়নি। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামির মধ্যে একজন পলাতক হয়ে গেছেন। পরিবার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছে

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের নির্যাতন-হত্যার ঘটনায় আজ বুধবার সাত বছর পূর্ণ হলেও আপিল বিভাগে মামলার শুনানি শুরু হয়নি। হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামির মধ্যে একজন পলাতক হয়ে গেছেন। আবরারের পরিবার দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হয়নি
  • 📌 হাইকোর্টের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২০ আসামির মধ্যে একজন পলাতক হয়ে গেছেন
  • 📌 আসামিরা আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন, কিন্তু শুনানি প্রস্তুত নেই বলে জানানো হয়েছে
  • 📌 ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলে আবরারকে হত্যা করা হয়
  • 📌 ২৫ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের মধ্যে ২০কে মৃত্যুদণ্ড ও ৫কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় ২৫ শিক্ষার্থীকে অভিযুক্ত করা হয়, যার মধ্যে ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। হাইকোর্টের রায়েও এই দণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। তবে আপিল বিভাগে মামলার শুনানি শুরু হয়নি।

আবরারের বাবা মো. বরকতউল্লাহ প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা চাই মামলাটি দ্রুত আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসে এবং শুনানি শুরু হয়। দ্রুত নিষ্পত্তি করে আসামিদের সাজার রায় কার্যকর চাই।’ তিনি জানান, সাত বছর হয়ে গেছে, আর কত দিন অপেক্ষা করতে হবে তা জানা যায়নি।

আসামিরা আপিল ও লিভ টু আপিল করেছেন বলে জানানো হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বলেছেন, ‘আসামিরা আপিল করেছেন, কিন্তু আপিলের সারসংক্ষেপ এখনো জমা হয়নি। আপিল শুনানির জন্য প্রস্তুত হয়েছে কি না, তা জানা যায়নি।’ অন্যদিকে, আসামিপক্ষের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেছেন, ‘আসামিরা আপিল করেছেন, কিন্তু শুনানি শুরু হয়নি।’

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর বিকেলে আবরার বাড়ি থেকে শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে ফিরে ঘুমিয়ে ছিলেন। পরদিন সকালে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। মামলায় অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ছাত্রশিবিরের কর্মী সন্দেহে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, শুধু সন্দেহে এ ধরনের নির্মম নির্যাতনের কোনো যুক্তি থাকতে পারে না।

২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় দেন। এরপর ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট সব আসামির দণ্ড বহাল রেখে রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা পরে আপিল এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা লিভ টু আপিল করেন।

"আমরা চাই মামলাটি দ্রুত আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় আসে এবং শুনানি শুরু হয়। দ্রুত নিষ্পত্তি করে আসামিদের সাজার রায় কার্যকর চাই।" — আবরার ফাহাদের বাবা মো. বরকতউল্লাহ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বুয়েট, শেরেবাংলা হল), গাজীপুর (কারাগার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবরার ফাহাদ, মো. বরকতউল্লাহ, আজিজুর রহমান দুলু, এস এম শাহজাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ২০ আসামি (মৃত্যুদণ্ড), ৫ আসামি (যাবজ্জীবন), ২৫ শিক্ষার্থী (অভিযুক্ত), ৬ অক্টোবর (হত্যার তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖