📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও বিচারের রায় কার্যকর হয়নি: পরিবারের আক্ষেপ

আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও বিচারের রায় কার্যকর হয়নি: পরিবারের আক্ষেপ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকর হয়নি। পরিবার দাবি করে, রায় দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন। ময়মনসিংহে নিখোঁজ শিশু মাসতুরার মরদেহও উদ্ধার করা হয়েছে

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পূর্ণ হলেও চূড়ান্ত বিচারের রায় কার্যকর হয়নি। পরিবার ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো দাবি করছে, এই মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন। আবরারের বাবা মো. বরকত উল্লাহ বলেছেন, ‘দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠে পড়তে গিয়ে ছেলেটা নির্মমভাবে নিহত হলেও বিচারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এখনও ঘটেনি।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আবরার ফাহাদের হত্যার সাত বছর পূর্ণ হলেও সুপ্রিম কোর্টের রায় কার্যকর হয়নি; আপিল বিভাগে শুনানি চলছে
  • 📌 ২০২১ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল
  • 📌 হাইকোর্ট ২০২৫ সালের মার্চে রায় বহাল রেখেছে, কিন্তু আপিল বিভাগে শুনানি এখনও শেষ হয়নি
  • 📌 আবরারের পরিবার দাবি করে, ‘গুরুত্বপূর্ণ এই মামলার সিরিয়াল চাইলে দ্রুত এগিয়ে আনা সম্ভব’
  • 📌 জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সুলতান মাহমুদ তালহা বলেছেন, ‘রায় বাস্তবায়নে কোনো শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়’
  • 📌 ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে নিখোঁজ শিশু মাসতুরার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে

📰 বিস্তারিত

আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পূর্ণ হলেও চূড়ান্ত বিচারের রায় কার্যকর হয়নি। বিচারিক আদালত থেকে হাইকোর্ট পর্যন্ত দু’ধাপেই আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা বহাল থাকলেও সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানি চলছে। আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ বলেছেন, ‘ফ্যাসিবাদ পতনের দীর্ঘ আন্দোলনের অন্যতম সূচনা হয়েছিল আবরার ফাহাদের হত্যার মধ্য দিয়ে। অথচ যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে দেশে পরিবর্তন এলো, সেই হত্যার চূড়ান্ত বিচার এখনও ঝুলে আছে।’

২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর আবরার ফাহাদ ভারতের সঙ্গে পানি বণ্টনসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে ফেসবুকে বিশ্লেষণাত্মক পোস্ট করেন। পরদিন ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের একদল নেতাকর্মী তাকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। পরদিন হলের সিঁড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দেশজুড়ে তীব্র ছাত্রবিক্ষোভের মুখে আবরারের বাবা বাদী হয়ে চকবাজার থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ।

বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২১ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ মামলার ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এরপর ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় পুরোপুরি বহাল রাখেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করায় মামলাটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তির পথ এখনও সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুষ্টিয়া জেলা কমিটির সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ তালহা বলেছেন, ‘আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করা শুধু তাঁর পরিবারের নয়, দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের দাবি। এই হত্যাকাণ্ডের রায় বাস্তবায়নে কোনো শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।’

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার এক দিন পর ঘরের পাশের পুকুর থেকে চার বছর বয়সী মাসতুরা নামের শিশুটির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের পশ্চিম ধুরাইল এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

"ফ্যাসিবাদ পতনের দীর্ঘ আন্দোলনের অন্যতম সূচনা হয়েছিল আবরার ফাহাদের হত্যার মধ্য দিয়ে। অথচ যাদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে দেশে পরিবর্তন এলো, সেই হত্যার চূড়ান্ত বিচার এখনও ঝুলে আছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (বুয়েট), ময়মনসিংহ (হালুয়াঘাট)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবরার ফাহাদ, মো. বরকত উল্লাহ, আবরার ফাইয়াজ, সুলতান মাহমুদ তালহা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭ বছর, ২৫ জন অভিযুক্ত, ২০ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ৫ জন যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖