📅 ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

৮ বছর ধরে ফেস ভেরিফিকেশন চক্র: বগুড়া-শাজাহানপুরে স্কুলছাত্র থেকে বয়স্কদের তথ্য চুরি, অনলাইন জুয়া অপরাধের লক্ষ্যে

৮ বছর ধরে ফেস ভেরিফিকেশন চক্র: বগুড়া-শাজাহানপুরে স্কুলছাত্র থেকে বয়স্কদের তথ্য চুরি, অনলাইন জুয়া অপরাধের লক্ষ্যে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলায় ৮ বছর ধরে একটি অপরাধ চক্র স্কুলছাত্র থেকে বয়স্কদের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি ও অনলাইন জুয়া অপরাধের আশঙ্কা করছে। স্থানীয়রা জানান, ২০১৮ সাল থেকে এই কার্যক্রম চলছে এবং প্রায় ৫০ শতাংশ এলাকাবাসীর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে

বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলায় ৮ বছর ধরে একটি অপরাধ চক্র বিভিন্ন বয়সের মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রাথমিকভাবে এই তথ্য দিয়ে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি ও অনলাইন জুয়া অপরাধের আশঙ্কা করছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্দিষ্ট এলাকায় প্রায় অর্ধেক মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৮ বছর ধরে অপরাধ চক্র: ২০১৮ সাল থেকে শাজাহানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নে ইমরান নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে এই কার্যক্রম শুরু। পরে সাব্বির হাসান ও মামুনের মতো ব্যক্তিরাও আলাদা চক্র গঠন করেন।
  • 📌 অনলাইন জুয়া অপরাধের লক্ষ্য: আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মনে করছে, সংগ্রহকৃত তথ্য দিয়ে ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে অনলাইন জুয়া অপরাধে ব্যবহৃত হতে পারে।
  • 📌 ৫০ শতাংশ তথ্য সংগ্রহ: শাজাহানপুর ও সীমান্তবর্তী এলাকার প্রায় অর্ধেক মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন করা হয়েছে।
  • 📌 অপরাধীরা কী করতেন?: শিক্ষার্থী থেকে বয়স্কদের তথ্য সংগ্রহ করে ইমরানের কাছে নিয়ে যেতেন। প্রত্যেকের জন্য ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দিতে হতো।
  • 📌 পুলিশের তদন্ত চলছে: শাজাহানপুর ও শেরপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে সাব্বির ও সৈকত ইসলাম পলাতক থাকায় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি।

📰 বিস্তারিত

বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলায় ৮ বছর ধরে একটি অপরাধ চক্র বিভিন্ন বয়সের মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করে আসছে। স্থানীয় এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, এই কার্যক্রমের শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে শাজাহানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নে। ইমরান নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে শুরু হওয়া এই কাজে পরে সাব্বির হাসান ও মামুনের মতো ব্যক্তিরাও যুক্ত হন। ২০২২ সালে ইমরানের সঙ্গে তাঁদের বিরোধের পর আলাদা হয়ে একই ধরনের কাজ শুরু করেন।

স্থানীয়রা জানান, রহিমাবাদ গ্রামের সৈকত ইসলাম, সাব্বির হাসান ও মামুন ইমরানের এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন। বিন্নাচাপর গ্রামের অটোচালক আইয়ুব আলীও এই চক্রের সদস্য ছিলেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় ছয় বছর ধরে তিনি ইমরানের হয়ে লোকজন সংগ্রহ করছেন। মানিকদ্বিপা, রাঙ্গামাটি, খোদাবন্দবালা, ডোপনপুকুরসহ অন্তত ১০টি গ্রাম থেকে শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষকে নিয়ে যেতেন তিনি। প্রত্যেকের জন্য ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পেতেন।’

ইমাম আলী বলেন, ‘আমি নিজেও ৫০০ টাকার বিনিময়ে ইমরানের কাছে গিয়েছিলাম। শাজাহানপুর ও সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এখন অনেকেই লজ্জা ও ভয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছে না।’

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর ইমরানকে শাজাহানপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, ‘তিনি তখন ওই থানায় কর্মরত ছিলেন না। তবে ইমরানকে আটকের কথা শুনেছেন। যৌথ বাহিনী তাঁকে থানায় সোপর্দ করেনি বলে এ-সংক্রান্ত কোনো নথি থানায় নেই।’

১ অক্টোবর শেরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণের মামলা হয়। এজাহারভুক্ত দুই কিশোর রাব্বি ও আশিককে পরে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানার উপপরিদর্শক কামরুল হাসান বলেন, ‘তদন্তের প্রয়োজনে কয়েক দিন শাজাহানপুরে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছেন। ইমরানের বিষয়েও তথ্য পেয়েছেন। তবে আপাতত মামলার মূল আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ফেস ভেরিফিকেশনের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত এগিয়ে নিতে চান তাঁরা।’

"ব্যক্তি শনাক্তযোগ্য তথ্য ব্যবহার করে অনলাইন আর্থিক প্রতারণা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট দখল, পরিচয় জালিয়াতি ও ফিশিংয়ের মতো সাইবার অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।"

— সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মুস্তাফিজ

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ইমরান, সৈকত ইসলাম, সাব্বির হাসান, মামুন, আইয়ুব আলী, ইমাম আলী, পুলিশ ওসি আশিক ইকবাল, উপপরিদর্শক কামরুল হাসান, কাজী মুস্তাফিজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর, ১০টি গ্রাম, ১০০-১৫০ টাকা, ৫০০ টাকা, ৫০ শতাংশ, ৪২ বছর (হারুনার রশিদ হারুন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖