📅 ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২২ বছর বাবার পরিচয় পেতে আদালতে লড়াই: সিরাজগঞ্জের অনিকের কষ্টের গল্প

২২ বছর বাবার পরিচয় পেতে আদালতে লড়াই: সিরাজগঞ্জের অনিকের কষ্টের গল্প

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সিরাজগঞ্জের কলেজছাত্র কামরুল ইসলাম অনিক ২২ বছর বয়সে বাবার পরিচয় পেতে আইনি লড়াই করছেন। তার মা হাফিজা খাতুন দাবি করেন, বাবা খুরশিদ জিন্নাহ কার্বন তাদের তালাক দিয়েছিলেন গর্ভাবস্থায়। ডিএনএ পরীক্ষার দাবি থাকা সত্ত্বেও আদালত এখনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি

২২ বছর বয়সে নিজের বাবার পরিচয় পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আছেন সিরাজগঞ্জের কলেজছাত্র কামরুল ইসলাম অনিক। তার মা হাফিজা খাতুনের সঙ্গে একত্রে তিনি বাবা খুরশিদ জিন্নাহ কার্বনের বিরুদ্ধে দীর্ঘকালীন আইনি লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছেন। অনিকের দাবি, জন্মের পর থেকে কখনো বাবার স্নেহ পাননি তিনি, বরং বাবার পরিচয় পেতে এখনও আদালতের উপর নির্ভরশীল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২২ বছর বয়সী অনিক বাবা খুরশিদ জিন্নাহ কার্বনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলা করছেন, কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত পাননি
  • 📌 অনিকের মা হাফিজা খাতুন দাবি করেন, বাবা গর্ভাবস্থায় তালাক দিয়েছিলেন এবং জন্মের পরও কোনো খোঁজ নেননি
  • 📌 খুরশিদ জিন্নাহ কার্বন গুপিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা
  • 📌 অনিকের মামা আব্দুর রাজ্জাক জানান, বিয়ের দিন খুরশিদের পরিবার কৌশলে তাকে নিয়ে যায় এবং বিয়ে মেনে নেয়নি
  • 📌 ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে জন্মগ্রহণকারী অনিকের বাবা তার কোনো খোঁজ নেননি, শৈশব থেকে মামার বাড়িতে বেড়ে উঠেছেন

📰 বিস্তারিত

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার তেলকুপি গ্রামের বাসিন্দা অনিকের জীবনের একমাত্র বাবা খুরশিদ জিন্নাহ কার্বন। তিনি গুপিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রহমতগঞ্জ মহল্লার আব্দুর রউফ মনিরের ছেলে। অনিকের মা হাফিজা খাতুনের দাবি, তাদের দাম্পত্য জীবনে ভাঙন ধরে গর্ভাবস্থায়। আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় খুরশিদ জিন্নাহ স্থানীয় মাতব্বরদের নিয়ে সালিশের মাধ্যমে তাকে তালাক দেন। এরপর থেকে অনিকের কোনো খোঁজ নেননি তিনি।

হাফিজা খাতুন জানান, খুরশিদ জিন্নাহ পঞ্চগড়ে গ্লোব এগ্রো কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি দু-এক দিনের জন্য বাড়িতে আসতেন এবং নিজের বাড়িতে ফিরে যেতেন। এইভাবে প্রায় ছয় বছর তাদের সংসার চলত। এর মধ্যে খুরশিদ পঞ্চগড়ে আরেকটি বিয়ে করেন। বিষয়টি জানতে পেরে হাফিজা তার কর্মস্থলে গিয়ে অভিযোগ জানান। পরে ওই বিয়ের সঙ্গে জড়িত খুরশিদসহ কয়েকজন চাকরি হারান বলে দাবি করেন তিনি।

অনিকের শৈশব থেকেই বাবার অভাব তার সঙ্গী। তিনি বলেন, ‘যখন আমি বুঝতে শিখেছি, সবার বাবা স্কুলে এসে সন্তানদের টাকা দিচ্ছে, কিন্তু আমার বাবা’-এ কথা বলেই কেঁদে ওঠেন তিনি। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘পরে মায়ের কাছে জেনেছি, তাদের মধ্যে সম্পর্ক নেই। ছোটবেলা থেকে মামার বাড়িতে মানুষ হয়েছি, মামাকেই বাবা ডেকেছি। এখন আমি বড় হয়েছি, বাবার পরিচয়টা লাগে। কোথাও গিয়ে পরিচয় দিতে পারি না।’

২০২২ সালে সিরাজগঞ্জ আদালতে অনিককে বাদী করে মামলা করার পর থেকে তিন বছর বीतেছে। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষার দাবি থাকা সত্ত্বেও আদালত এখনো সিদ্ধান্ত দিতে পারেনি। স্থানীয়রা জানান, খুরশিদ জিন্নাহ কার্বনের সঙ্গে হাফিজার বিয়ে হয়েছিল, কিন্তু গর্ভাবস্থায় তাকে তালাক দেওয়া হয়। অনিকের জন্মের পরও খুরশিদ তার কোনো খোঁজ নেননি। অনিকের মামা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমি নিজে কাজি ডেকে এনে কার্বনের সঙ্গে হাফিজার বিয়ে দিয়েছিলাম। বিয়ের দিন তার পরিবারকে ডেকে এনেছিলাম। তারা কৌশলে তাকে নিয়ে যায়। তার পরিবার বিয়ে মেনে নেয়নি।’

"আমার ভাগনের জন্য কষ্ট হয়। শিশু অবস্থায় সবাই যখন বাবা ডাকে, অনিক তখন তার বাবাকে পায়নি। আমার মেয়েরা আমাকে ডাকে, সেটা দেখে অনিকও আমাকে বাবা ডাকে। অনেকবার ধমক দিয়ে বলেছি, আমি তোমার মামা। কিন্তু সে এখনো আমাকে বাবা বলেই ডাকে।"

খুরশিদ জিন্নাহ কার্বন বলেন, ‘যেটা আদালতে গড়িয়েছে, সেই সিদ্ধান্ত আদালতই দেবে। আমার সঙ্গে কথা বলে লাভ নেই।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা, তেলকুপি গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কামরুল ইসলাম অনিক (২২), হাফিজা খাতুন, খুরশিদ জিন্নাহ কার্বন, আব্দুর রাজ্জাক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (অনিকের বয়স), ২০০৪ (জন্মবছর), ২০২২ (মামলা দায়ের)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖