📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১৬ বছর ধরে অসমাপ্ত বিচার: বড়াইগ্রামের হত্যাকাণ্ডের পিছনে জড়িতদের দাবি সর্বোচ্চ শাস্তি

১৬ বছর ধরে অসমাপ্ত বিচার: বড়াইগ্রামের হত্যাকাণ্ডের পিছনে জড়িতদের দাবি সর্বোচ্চ শাস্তি

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ নূর বাবুর ১৬ বছর আগের হত্যা মামলা এখনও বিচারাধীন। ৪৪ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হলেও বিচার অসমাপ্তি পরিবার ও বিএনপির নেতাদের ক্ষুব্ধ করেছে। আজ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা সানাউল্লাহ নূর বাবুর হত্যার ১৬ বছর পূর্ণ হলেও মামলার বিচার শেষ হয়নি। ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন তিনি, কিন্তু ১৬ বছর পরও বিচারকাজ অসমাপ্তি পরিবার ও স্থানীয় নেতাদের ক্ষুব্ধ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ১৬ বছর ধরে অসমাপ্ত বিচার: সানাউল্লাহ নূর বাবুর হত্যা মামলায় ৪৪ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল হলেও বিচার শেষ হয়নি।
  • 📌 সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদনে অসংলগ্নতা: আইনজীবী ও পরিবার নারাজি আবেদন দিয়েছেন, হাইকোর্টে শুনানি চলছে।
  • 📌 মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা: আজ (৮ অক্টোবর) বনপাড়া বাজারে কালো পতাকা উত্তোলন, সর্দারপাড়া জামে মসজিদে মিলাদ ও হারোয়া বটতলায় স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত: ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বনপাড়া বাজারে আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলায় নিহত হন সানাউল্লাহ নূর বাবু।

📰 বিস্তারিত

২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া শহরে বিএনপির একটি বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তৎকালীন জেলা বিএনপির সভাপতি রুহুল কুদ্দুস তালুকদার যোগ দেবেন বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু সানাউল্লাহ নূর বাবু মিছিল নিয়ে বনপাড়া বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের স্ত্রী মহুয়া নূর কচি বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে আদালতে দাখিল করা মামলায় আসামির সংখ্যা ৪৫ জন করা হয়। দীর্ঘ তদন্তের পর ২০২১ সালের ২৯ জুন নাটোর কার্যালয়ের সিআইডি জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে বনপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি কে এম জাকির হোসেন, মাঝগাঁও আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খোকন মোল্লা, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি কে এম জিল্লুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ ৪৪ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার আইনজীবী শরিফুল ইসলাম মুক্তা বলেন, ‘সিআইডির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আমরা নারাজি আবেদন করেছিলাম। নাটোর আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় আমরা হাইকোর্টে আবেদন করেছি। সেখানে এর শুনানি চলছে।’ নিহতের স্ত্রী মহুয়া নূর কচি বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর সিআইডি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ায় আমরা খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু তদন্ত প্রতিবেদনে অসংলগ্নতা থাকায় আমরা সন্তুষ্ট হতে পারিনি। এ কারণে নারাজি আবেদন করেছি।’

"একজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। অথচ ১৬ বছরেও এই হত্যার বিচার শেষ হয়নি। আমরা দ্রুত বিচারকাজ শেষ করে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।"

বড়াইগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বড়াইগ্রাম উপজেলা, নাটোর; বনপাড়া বাজার, সর্দারপাড়া জামে মসজিদ, হারোয়া বটতলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সানাউল্লাহ নূর বাবু, মহুয়া নূর কচি, কে এম জাকির হোসেন, শরিফুল ইসলাম মুক্তা, আব্দুল কাদের মিয়া, মোহাম্মদ আবদুল হাই সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ বছর, ৪৪ জন আসামি, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর, ২৯ জুন ২০২১

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖