📌 ১৪ বছর আত্মগোপনে থাকার পর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. লোকমান হোসেনকে ভোলার বোরহানউদ্দিন থেকে এসআরবি-৮ গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করা হয়
দীর্ঘ ১৪ বছর আত্মগোপনে থাকার পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. লোকমান হোসেনকে (৪০) ভোলার বোরহানউদ্দিন থানার এলাকায় গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৮। শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশের আভিযানিক দল তাঁকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ বছর আত্মগোপনে থাকার পর মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. লোকমান হোসেনকে ভোলার বোরহানউদ্দিন থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত লোকমান হোসেনের বয়স ৪০ বছর এবং তিনি ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পদ্ম মনসা এলাকার বাসিন্দা।
- 📌 ২০১২ সালে মাগুরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয় লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে। আদালতে প্রমাণিত হলে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- 📌 গ্রেপ্তারকৃত আসামির ছেলে মোফাজ্জেল হোসেন হাওলাদার।
- 📌 গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় লোকমানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।
- 📌 গ্রেপ্তারের পর লোকমান হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোরহানউদ্দিন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
- 📌 পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এলাকায় ফেরার পর লোকমান মুকুল নামে বিভিন্ন সুপারশপে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাকরিপ্রত্যাশী ও ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ নিতেন।
- 📌 তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাংক হিসাবের চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ।
📰 বিস্তারিত
এসআরবি-৮-এর সহকারী পুলিশ সুপার ওয়ালিদ হাসান মিঠু জানান, ২০১২ সালে মাগুরা সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে লোকমান হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলাটি আদালতে প্রমাণিত হলে তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লোকমানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর লোকমান হোসেনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বোরহানউদ্দিন থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এলাকায় ফেরার পর লোকমান মুকুল নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সুপারশপে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে চাকরিপ্রত্যাশী ও বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছ থেকে অর্থ নিতেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন অজুহাতে নিজের ব্যাংক হিসাবের চেক ও নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
"গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় লোকমানের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ভোলা, বোরহানউদ্দিন উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. লোকমান হোসেন (৪০), সহকারী পুলিশ সুপার ওয়ালিদ হাসান মিঠু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর আত্মগোপন, ৪০ বছর বয়স, ২০১২ সাল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!