📌 সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ১২ বছর বয়সী একটি মাদরাসা ছাত্রীকে তিনজন শিক্ষার্থী ও একটি শিক্ষক ধর্ষণ করে ৮ মাস অন্তঃসত্ত্বা করেছে। শিশুর নানি মামলা করেছেন, অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন
সাতক্ষীরার শ্যামনগরে একটি মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ৮ মাস অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় শিশুর নানি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত তিনজন শিক্ষার্থী ও একটি শিক্ষক আত্মগোপনে রয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১২ বছর বয়সী মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করে ৮ মাস অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে
- 📌 অভিযুক্ত: হযরত আলী (১৭), আবু হাসান (১৫) ও শিক্ষক নুর আলম (৩৬)
- 📌 শিশুটির নানি মামলা করেছেন শ্যামনগর থানায়
- 📌 অভিযুক্তরা আত্মগোপনে রয়েছেন, যোগাযোগ বন্ধ
- 📌 মাদরাসা কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে
📰 বিস্তারিত
১২ অক্টোবর, ২০২৬ তারিখে শ্যামনগর থানায় মামলা করা হয়। শিশুটির নানি জানান, হযরত আলী ও আবু হাসান গোপনে ভিডিও ধারণ করে শিশুটিকে ধর্ষণ করতেন। পরে শিক্ষক নুর আলমও শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। শিশুটির বাবা-মা বিচ্ছেদগ্রস্ত, মা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। শিশুটি নানির বাড়িতে থাকত এবং মাদরাসায় পড়াশোনা করত।
শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করে ১০ অক্টোবর চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরীক্ষায় ৮ মাস অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর পাওয়া যায়। শিশুটির ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক নুর আলম জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ধর্ষণ করেন। অভিযুক্তরা আত্মগোপনে থাকায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
গুমানতলী কামিল মাদরাসার সুপার মাওলানা সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক নুর আলমের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষককে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাফিউল ইসলাম বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
"হযরত ও আবু হাসান শিশুটির ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। গোসলের পর পোশাক পরিবর্তনের সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করেন তারা। পরে ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিশুটির নানি, হযরত আলী (১৭), আবু হাসান (১৫), নুর আলম (৩৬), মাওলানা সিরাজুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর, ৮ মাস, ৩ জন অভিযুক্ত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!