📅 ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১১ বছর পরও অদ্ভুত রহস্য: দুর্গাপুরে গলা কেটে নিহত দম্পতির খুনী কে?

১১ বছর পরও অদ্ভুত রহস্য: দুর্গাপুরে গলা কেটে নিহত দম্পতির খুনী কে?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর গলা কেটে নিহত হয় ব্যবসায়ী দম্পতি অরুণ কুমার সাহা (৭৪) ও হেনা রানী সাহা (৬৫)। ১১ বছর পরও খুনীর পরিচয় না পেয়ে পুলিশের তদন্ত ব্যর্থতা নিয়ে পরিবার হতাশ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১১ বছর আগে গলা কেটে নিহত হওয়া ব্যবসায়ী দম্পতি অরুণ কুমার সাহা (৭৪) ও হেনা রানী সাহা (৬৫) এর খুনের রহস্য এখনো উদ্ঘাটন হয়নি। পুলিশের দীর্ঘদিনের তদন্তে ব্যর্থতা ও আলামত সংরক্ষণের অভাবে মামলা বন্ধ হয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্গাপুরের সুবর্ণা প্লাজা তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে অরুণ-হেনা দম্পতি গলা কেটে নিহত হন।
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর পরও খুনীর পরিচয় না পেয়ে পুলিশের তদন্ত ব্যর্থতা নিয়ে পরিবার হতাশ।
  • 📌 মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তিত হয়েছে অন্তত নয়বার, সর্বশেষ পিবিআই তদন্ত শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হলেও রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি।
  • 📌 ঘটনার তিন দিন পর বাদী সুজিত কুমার সাহা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন, কিন্তু আলামত সংরক্ষণের অভাবে তদন্তে বড় বাধা সৃষ্টি হয়।
  • 📌 নেত্রকোনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান আহমেদ বলেছেন, দুর্গাপুরের সকল হত্যাকাণ্ড গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

২০১৫ সালের ২৩ অক্টোবর দুর্গাপূজার শেষ দিন ভোর থেকে বেলা ১টার মধ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরশহরের মধ্যবাজার এলাকায় নিজেদের তিনতলা ভবন সুবর্ণা প্লাজার তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে ব্যবসায়ী দম্পতি অরুণ কুমার সাহা ও হেনা রানী সাহাকে গলা কেটে নিহত করা হয়। অরুণ কুমার সাহা ওই ভবন ও সুবর্ণা বস্ত্রালয়ের মালিক ছিলেন। দম্পতির ছোট ছেলে সুদীপ কুমার সাহা ইতালিতে, মেয়ে সুলেখা সাহা কানাডায় এবং বড় মেয়ে সুবর্ণা সাহা কানাডায় থাকেন। বড় ছেলে সুজিত কুমার সাহা মা-বাবার সঙ্গে থাকতেন। ঘটনার আগের দিন তিনি ঢাকায় যান। পরদিন সকালে মা-বাবার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে পাশের বাসার কাকা অজিত কুমারকে বিষয়টি জানান। পরে অজিতের স্ত্রী সুচিত্রা বাসার দরজা খোলা দেখে ভেতরে ঢুকে পৃথক দুটি কক্ষের মেঝেতে অরুণ ও হেনার গলাকাটা ও ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

হত্যাকাণ্ডের তিন দিন পর সুজিত কুমার সাহা অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। তবে তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার শুরুতে হত্যাস্থল সংরক্ষণ ও আলামত সংগ্রহ করা হয়নি, যা পরবর্তী তদন্তে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৫ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটির তদন্তভার দুর্গাপুর থানা-পুলিশের কাছ থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) হস্তান্তর করা হয়। সিআইডিতে তিনবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর ২০১৭ সালের শেষ দিকে তৎকালীন জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার শঙ্কর কুমার দাস আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তিনি তখন জানিয়েছিলেন, দেরিতে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ায় অনেক আলামত নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সন্দেহভাজন কয়েকজনের মুঠোফোনের কল রেকর্ডও পাওয়া যায়নি।

বাদী আদালতে নারাজি আবেদন করলে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মামলাটি পুনঃতদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। সংস্থাটিতে পাঁচবার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের পর সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক অভি রঞ্জন দেব ২০২৪ সালের জুনের প্রথম সপ্তাহে দুর্গাপুর চৌকি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তাঁর ভাষ্য, অপরাধস্থলসহ প্রয়োজনীয় আলামত সংরক্ষিত না থাকায় তদন্তে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। দীর্ঘদিনেও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী সুজিত কুমার সাহা। তিনি বলেছেন, ‘আমি চাই আমার মা-বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হোক।’ তাঁর অভিযোগ, ‘রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পেরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। কিন্তু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন হয়নি।’

"আমি চাই আমার মা-বাবার হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন হোক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: দুর্গাপুর পৌরশহর, মধ্যবাজার, সুবর্ণা প্লাজা তৃতীয় তলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সুজিত কুমার সাহা, অরুণ কুমার সাহা, হেনা রানী সাহা, পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা, রেজওয়ান আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ বছর, ৭৪ বছর, ৬৫ বছর, ২৩ অক্টোবর, ১ টা, ২৬ নভেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖