📌 ইয়েমেনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ৭৪ শতাংশ পরিবার খাদ্য সংকটের শিকার হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা পাওয়ার হুথিসহ যুদ্ধে বাধা পড়ায় খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানায়, ১০ কোটি মানুষের বাসস্থান এই এলাকায়
ইয়েমেনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বর্তমানে ৭৪ শতাংশ পরিবার তাদের মৌলিক খাদ্য প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা পাওয়ার হুথিসহ যুদ্ধের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) শুক্রবার এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এটি এই বছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ৭৪ শতাংশ পরিবার খাদ্য সংকটের শিকার — ডব্লিউএফপির রেকর্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ
- 📌 ১০ কোটি মানুষের বাসস্থান এই এলাকায়, যেখানে ৯০ শতাংশ খাদ্য আমদানি করা হয়
- 📌 হুথিসহ আরবের যুদ্ধে বাধা পড়ায় খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন, ১৪৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত — আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানায়
- 📌 ডব্লিউএফপি ১.৫ কোটি মানুষকে সহায়তা করার জন্য ১০৯ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন — বর্তমানে নভেম্বর মাসের খাদ্য বিতরণের জন্য অর্থ সরিয়ে নেওয়া হয়েছে
- 📌 ১৮.৩ কোটি মানুষের খাদ্য সংকট, যার মধ্যে ২২ লক্ষ পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু খুবই খারাপভাবে পুষ্টিহীন — ডব্লিউএফপি
- 📌 ডব্লিউএফপির কর্মকর্তা ম্যাথিউ হোলিংওয়ার্থ বলেছেন, “এই সংকট আরও বাড়তে থাকলে খাদ্য সংকট একটি বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে”
- 📌 হুথিসহ আরবের যুদ্ধের কারণে বাব এল মন্দেব প্রণালী ও হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে খাদ্য ও জ্বালানি দাম বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেতে পারে
- 📌 ৩৭০০ জন যুদ্ধবিরতির কারণে ডিজিবৌটি পর্যন্ত পৌঁছেছেন — ডব্লিউএফপি
📰 বিস্তারিত
ইয়েমেনের সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় বর্তমানে খাদ্য সংকটের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়েছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) জানিয়েছে, ১০ কোটি মানুষের বাসস্থান এই এলাকায়, যেখানে খাদ্য আমদানি করা হয় ৯০ শতাংশ। যুদ্ধের কারণে খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায়, পরিবারগুলো তাদের মৌলিক খাদ্য প্রয়োজন মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছে।
ইয়েমেনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা পাওয়ার হুথিসহ আরবের যুদ্ধের কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছে। ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, বর্তমানে ১৪৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে খাদ্য সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং খাদ্য সংকট আরও বাড়তে থাকলে বিপর্যয়ের দিকে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ডব্লিউএফপির কর্মকর্তা ম্যাথিউ হোলিংওয়ার্থ বলেছেন, “এই সংকট আরও বাড়তে থাকলে খাদ্য সংকট একটি বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। আমরা দেখছি যে, খাদ্য সংকট ক্রমাগত বাড়ছে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়লে আরও বেশি মানুষের জীবন বিপদে পড়বে।” তিনি আরও বলেছেন, “আমরা দেখছি যে, খাদ্য সংকট ক্রমাগত বাড়ছে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়লে আরও বেশি মানুষের জীবন বিপদে পড়বে।”
"এই সংকট আরও বাড়তে থাকলে খাদ্য সংকট একটি বিপর্যয়ে পরিণত হতে পারে। আমরা দেখছি যে, খাদ্য সংকট ক্রমাগত বাড়ছে এবং এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়ে পড়লে আরও বেশি মানুষের জীবন বিপদে পড়বে।"
হুথিসহ আরবের যুদ্ধের কারণে বাব এল মন্দেব প্রণালী ও হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে খাদ্য ও জ্বালানি দাম বিশ্বব্যাপী বৃদ্ধি পেতে পারে। ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, বর্তমানে ৩৭০০ জন যুদ্ধবিরতির কারণে ডিজিবৌটি পর্যন্ত পৌঁছেছেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, ১৪৯ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (সরকারি নিয়ন্ত্রিত এলাকা), বাব এল মন্দেব প্রণালী, হরমুজ প্রণালী, ডিজিবৌটি
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ম্যাথিউ হোলিংওয়ার্থ (ডব্লিউএফপির কর্মকর্তা), হুথিসহ আরবের নেতা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহায়তা পাওয়ার সরকারের নেতা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৪ শতাংশ (খাদ্য সংকটের শিকার পরিবার), ১০ কোটি (মানুষ), ৯০ শতাংশ (খাদ্য আমদানি), ১৪৯ হাজার (বাস্তুচ্যুত মানুষ), ১৮.৩ কোটি (খাদ্য সংকটের শিকার মানুষ), ২২ লক্ষ (পুষ্টিহীন শিশু), ১০৯ মিলিয়ন ডলার (প্রয়োজনীয় অর্থ), ১.৫ কোটি (সহায়তা পাওয়ার মানুষ), ৩৭০০ (ডিজিবৌটি পৌঁছানো মানুষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!