📌 যেমেনের দক্ষিণাঞ্চল আদেন থেকে রাজধানী সানায় পর্যন্ত বাসিন্দারা দামের বেড়ে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত। সরকারি কর্মচারীদের বেতন অপারযোগ্য হয়ে পড়েছে, খাদ্য থেকে বাসা-বাড়ি পর্যন্ত সবকিছুই দামে বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৫ সাল থেকে দেশের প্রতি কাপি জিডিপি ৫৮% কমে গেছে।
যেমেনের যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি বাসিন্দাদের জীবনযাপনকে অপারযোগ্য করে তুলেছে। দক্ষিণাঞ্চলীয় আদেন থেকে রাজধানী সানা পর্যন্ত বাসিন্দারা দামের বেড়ে যাওয়া অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত। সরকারি কর্মচারীদের বেতন অপারযোগ্য হয়ে পড়েছে, খাদ্য থেকে বাসা-বাড়ি পর্যন্ত সবকিছুই দামে বেড়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে দেশের প্রতি কাপি জিডিপি প্রায় ৫৮% কমে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **আদেনে** সরকারি কর্মচারী বুশরা আব্দুল্লাহ আবদুলওয়ারিথের মাসিক বেতন ৭৮,০০০ যেমেনি রিয়াল (প্রায় ৫০ ডলার), কিন্তু একটি গৃহস্থালির খাদ্য খরচ মাত্রই ১৩০,৩৬৬ রিয়াল (প্রায় ৮৩ ডলার)।
- 📌 **হুথি ও সরকারের বিভক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা** অর্থপ্রেরণ ও অর্থপ্রবাহকে আরও জটিল করেছে, যা অর্থনৈতিক সংকটকে আরো গভীর করেছে।
- 📌 **বাসিন্দারা** দিন-রাতের জীবনযাপনে নিপতিত হয়েছে, অনেকেই ক্রেডিট বা ঋণ নিয়ে খাদ্য কিনে নিচ্ছে।
- 📌 **বাণিজ্যিক এলাকায়** ছোট প্যাকেটের খাদ্য বিক্রি বেড়েছে, যেমন ৫ কেজি ধান বদলে ৪০ কেজি ধানের বিক্রয় কমেছে।
- 📌 **বিশ্বব্যাংক** বলেছে, ২০১৫ সাল থেকে যেমেনের প্রতি কাপি জিডিপি ৫৮% কমে গেছে।
📰 বিস্তারিত
আদেন, যেমেনের সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন রাজধানী, সেখানে খাদ্য সংকটের সমস্যা নেই, কিন্তু বাসিন্দাদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই দুর্বল। সরকারি কর্মচারীদের বেতন খাদ্য, বাসা, স্বাস্থ্যসেবা ও পরিবহনের খরচ মেটাতে যথেষ্ট নয়। ফলে বাসিন্দারা বেসরকারি খরচ কমানোর জন্য বাধ্য হয়ে পড়েছেন।
বুশরা আব্দুল্লাহ আবদুলওয়ারিথ, একজন সরকারি কর্মচারী, বলেছেন, দামের বেড়ে যাওয়া কারণে অনেক পরিবার বেসরকারি খরচ কমানোর জন্য বাধ্য হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি মাংসের মতো কিছু মূল্যবান খাদ্য থেকে বঞ্চিত হতে বাধ্য হয়েছি। অনেক পরিবার ছোট পরিমাণে খাদ্য ক্রয় করে, এমনকি ঋণ বা ক্রেডিট নিয়ে কিনে নিচ্ছে।”
বাণিজ্যিক এলাকায় দামের বেড়ে যাওয়া প্রভাব ফেলেছে ক্রয়ব্যবহারের উপর। আদেনের ম্যানসুরা এলাকায় একটি দোকানের মালিক আইমান আল-মাকতারী বলেছেন, বাসিন্দারা এখন অপরিহার্য খাদ্য যেমন ধান, চিনি, আটা ও তেল কিনতে আগের মতো আগ্রহী নয়। তারা প্রতিটি আইটেমের দাম পরীক্ষা করে বাস্কেটে রাখে এবং ছোট পরিমাণে কিনে নিচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল থেকে যেমেনের প্রতি কাপি জিডিপি প্রায় ৫৮% কমে গেছে। হুথি ও সরকারের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিভক্তি, তেলের রফতানি বন্ধ এবং আন্তর্জাতিক সহায়তার হ্রাস এই অর্থনৈতিক সংকটকে আরো গভীর করেছে।
"আমরা দিন-রাতের জীবনযাপনে নিপতিত হয়েছে, বা সপ্তাহে সপ্তাহে বেঁচে থাকতে চেষ্টা করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আদেন, সানা, মারিব, যেমেন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বুশরা আব্দুল্লাহ আবদুলওয়ারিথ, আইমান আল-মাকতারী, বিশ্বব্যাংক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭৮,০০০ যেমেনি রিয়াল (৫০ ডলার), ১৩০,৩৬৬ যেমেনি রিয়াল (৮৩ ডলার), ৫৮%
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!