📌 ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুথি বিরোধী সামরিক অভিযান শুরু হলে সিভিলিয়ানদের ভয় ও অস্থিরতা বাড়ছে। বিমান হামলায় এক শিশু নিহত ও সাতজন আহত হয়েছেন। হুথি মিসাইল হামলায় সৌদি আরবের রিয়াদে ১২ জন মারা গেছেন
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় রাত ১২টায় হুথি বিরোধী সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে বিমান হামলা শুরু হলে সিভিলিয়ানদের মধ্যে ভয় ও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। ২০২৩ সালে হুথি ও সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তির পর থেকে সানায় কমবেশি নিরাপদ ছিল। তবে বর্তমান ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতৃত্বকক্ষের প্রধান রাশিদ আল-আলিমি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে হুথিদের দখলে থাকা সানা পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ‘ইয়েমেনের ফজর অভিযান’ শুরু করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সানায় বিমান হামলায় শিশু নিহত, সাতজন আহত — সানার সাওয়ান এলাকায় গত রবিবার বিমান হামলায় এক শিশু মারা গিয়েছেন এবং সাতজন সিভিলিয়ান আহত হয়েছেন।
- 📌 সৌদি আরবের রিয়াদে হুথি মিসাইল হামলায় ১২ জন নিহত — গত শুক্রবার রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিসাইল হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়।
- 📌 ২০০,০০০-এরও বেশি লোক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন — গত কয়েক সপ্তাহে ইয়েমেনে সংঘাত বাড়ার কারণে ২০০,০০০-এরও বেশি লোক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন, যার অধিকাংশই তাইজ গভর্নরেট থেকে।
- 📌 সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও লক্ষ্যবস্তু — সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে সানার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও বিমান হামলা হয়েছে, যেখানে দুজন কর্মী নিহত হয়েছেন।
📰 বিস্তারিত
গত রবিবার রাত ১২টায় সানায় বিমান হামলা শুরু হলে সিভিলিয়ানদের মধ্যে ভয় ও অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়েছে। ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতৃত্বকক্ষের প্রধান রাশিদ আল-আলিমি গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে হুথিদের দখলে থাকা সানা পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ‘ইয়েমেনের ফজর অভিযান’ শুরু করেছেন। তবে সরকারি বাহিনী তাইজ ও পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকায় হুথিদের সাথে লড়াইয়ে জড়িত থাকায় সানায় বিমান হামলাই প্রধান হামলার উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গত রবিবার সাওয়ান এলাকায় বিমান হামলায় এক শিশু নিহত এবং সাতজন সিভিলিয়ান আহত হয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা লক্ষ্য হুথিদের সামরিক অবস্থান, মিসাইল লঞ্চ প্যাড ও সরঞ্জাম। তবে অনেক সময় এই লক্ষ্যবস্তুগুলো বাসস্থান, কৃষিজমি বা রাস্তার পাশে অবস্থিত হওয়ায় সিভিলিয়ানদের ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।
৩০ বছর বয়সী কুরিয়ার ও সানার বাসিন্দা গামাদান আবুদ বলেছেন, নতুন এই সামরিক অভিযানের খবর শুনে তার নিরাপত্তার অনুভূতি কমে গেছে। তিনি বলেন, “রবিবার সন্ধ্যায় নতুন অভিযানের খবর শুনে আমার নিরাপত্তার অনুভূতি কমে গেছে। কখনোই কোথাও বিমান হামলা হতে পারে, এবং সিভিলিয়ানরা পরবর্তী শিকার হতে পারেন।”
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সানা, সাদা ও আমরান হল হুথি মিসাইল হামলার প্রধান উৎস। তারা বলেছেন, সামরিক অভিযানের লক্ষ্য হুথিদের মিসাইল হামলার ক্ষমতা কমিয়ে আনা। গত শুক্রবার রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথি মিসাইল হামলায় ১২ জনের মৃত্যু হয়।
৫০ বছর বয়সী সানার বাসিন্দা সালেহ আইদহ বলেছেন, সানা এখনও নিরাপদ বলে মনে হয়, কিন্তু তিনি বলেন, “আমি মনে করি ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলে কোনো জায়গাও নিরাপদ নয়। যুদ্ধ কোথাওই ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
"রবিবার সন্ধ্যায় নতুন অভিযানের খবর শুনে আমার নিরাপত্তার অনুভূতি কমে গেছে। কখনোই কোথাও বিমান হামলা হতে পারে, এবং সিভিলিয়ানরা পরবর্তী শিকার হতে পারেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সানা (ইয়েমেনের রাজধানী), তাইজ গভর্নরেট, সাওয়ান এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিদ আল-আলিমি (ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতৃত্বকক্ষের প্রধান), গামাদান আবুদ (৩০ বছর বয়সী কুরিয়ার), সালেহ আইদহ (৫০ বছর বয়সী বাসিন্দা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন (সৌদি আরবের রিয়াদে মারা যাওয়া), ২০০,০০০+ (বাড়ি ছেড়ে পালানো লোক), ১ জন শিশু (সানায় নিহত), ৭ জন আহত (সানায়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!