📌 ইয়েমেনের সানা শহরে ১৮ বছর বয়সী মুনিফের পরিবার ৬ বছর ধরে তার হারিয়ে যাওয়া বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। নতুন যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক লালচিহ্ন সমিতি কর্তৃক ১৮০০-এরও বেশি অনুসন্ধান আবেদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবাররা আশা করছে মুনিফ জীবিত থাকতে পারে বা যুদ্ধে নিহত হয়েছে
ইয়েমেনের সানা শহরে ১৮ বছর বয়সী মুনিফের পরিবার ২০২০ সাল থেকে তার হারিয়ে যাওয়া বিষয়ে অনুসন্ধান করছে। মুনিফ হুথি বাহিনীর সাথে সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তে যুদ্ধে অংশ নেয়ার পর থেকে তার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তার পরিবার আশা করছে, তিনি জীবিত থাকতে পারে বা যুদ্ধে নিহত হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬ বছর ধরে হারিয়ে যাওয়া**: মুনিফের পরিবার ২০২০ সাল থেকে তার হারিয়ে যাওয়া বিষয়ে অনুসন্ধান করছে, কিন্তু নতুন যুদ্ধের কারণে অনুসন্ধান বন্ধ হয়ে গেছে।
- 📌 **১৮০০-এরও বেশি অনুসন্ধান আবেদন**: আন্তর্জাতিক লালচিহ্ন সমিতি (আইসিআরসি) জুলাই মাস থেকে ১৮০০-এরও বেশি অনুসন্ধান আবেদন পেয়েছে, কিন্তু নতুন যুদ্ধের কারণে অনেক পরিবার অনুসন্ধান করতে পারছে না।
- 📌 **মুহাম্মদ বলেন**: "আমার ভাইয়ের অবস্থা সম্পর্কে একটি নিশ্চিত উত্তর আমাদের পরিবারকে অনেক রিলিফ দেবে। তিনি বা আকাশ থেকে বোমা আঘাতে নিহত হতে পারে, বা সরকারি বাহিনীর হাতে বন্দী থাকতে পারে।"
- 📌 **আব্দুলাজিজের পরিবার আতঙ্কিত**: মারিব অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আব্দুলাজিজের পরিবার ২ মাস ধরে তার কোনো খবর পাচ্ছে না। তারা ভাবছে, তিনি সরকারি বাহিনীর আক্রমণে নিহত হতে পারে।
- 📌 **১৩৯ নিহত, ৮৪ হারিয়ে যাওয়া**: ডজিবৌতির নিকটে একটি অভিবাসী নৌকা দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত এবং ৮৪ জন হারিয়ে গেছে।
📰 বিস্তারিত
২০২০ সালে ১৮ বছর বয়সী মুনিফ তার পরিবারকে বিদায় দিয়েছিলেন এবং সানা থেকে সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তে হুথি বাহিনীর সাথে যুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন। ছয় মাস পরে তার সকল সহযোদ্ধা পরিবারে ফিরে গেলেও মুনিফের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। মুনিফের পরিবার তার অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত উত্তর পেতে চায়। মুহাম্মদ, মুনিফের ভাই, বলেছেন, "আমাদের গ্রামের আরো ১০ জন যোদ্ধা সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। সবাই ফিরে এসেছে। আমরা তাদের থেকে মুনিফের অবস্থা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি, কিন্তু কেউই জানতে পারেনি তার কোথায় গেছে।"
২০২২ সালে সৌদি-পৃষ্ঠতালক ইয়েমেন সরকার এবং ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনীর মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা পরিবারদের হারিয়ে যাওয়া আত্মীয়দের অনুসন্ধান করতে সাহায্য করার আশা ছিল। কিন্তু জুলাই মাসে যুদ্ধের পুনরুত্থানের কারণে আন্তর্জাতিক লালচিহ্ন সমিতি (আইসিআরসি) কর্তৃক ১৮০০-এরও বেশি অনুসন্ধান আবেদন বন্ধ হয়ে গেছে। পরিবাররা তাদের আত্মীয়দের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চায় — তারা কি বন্দী, আহত, নিহত, বা শুধুমাত্র রেকর্ডে হারিয়ে গেছে কিনা।
মুহাম্মদ মুনিফের দুটি সম্ভাব্য অবস্থা চিন্তা করছেন। তিনি বলেন, "তিনি বা আকাশ থেকে বোমা আঘাতে নিহত হতে পারে, যার ফলে তার কোনো দেহাবশেষ পাওয়া যাবে না, বা তিনি সরকারি বাহিনীর হাতে বন্দী থাকতে পারে।" মুহাম্মদের পরিবার যদি মুনিফের মৃত্যু নিশ্চিত হয়, তবে তারা তার মৃত্যুকে স্বীকার করবে এবং তার ফিরে আসার আশা হারিয়ে ফেলবে।
মারিব অঞ্চলে হুথি বাহিনীর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আব্দুলাজিজের পরিবারও তার কোনো খবর পাচ্ছে না। তার ভাই আহমেদ বলেছেন, "আমরা আব্দুলাজিজের ফোনের আশা করছি, কিন্তু আমরা জানি না তিনি কখনো আমাদের ফোন করবেন কিনা।" মারিব এবং আল-জাওফ অঞ্চলে যুদ্ধের তীব্রতা বেড়ে গেছে, কারণ হুথি বাহিনী সেপ্টেম্বর মাসে ইয়েমেনের উপকূলীয় অংশ দখল করেছে। প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের প্রধান রাশিদ আল-আলিমি সরকারি বাহিনীর একটি প্রতিক্রিয়া ঘোষণা করেছেন।
"আমি আমার ভাইয়ের অবস্থা সম্পর্কে একটি নিশ্চিত উত্তর পেতে চাই। তিনি বা আকাশ থেকে বোমা আঘাতে নিহত হতে পারে, বা তিনি সরকারি বাহিনীর হাতে বন্দী থাকতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সানা, ইয়েমেন; মারিব, ইয়েমেন; আল-জাওফ, ইয়েমেন; সৌদি-ইয়েমেন সীমান্ত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুনিফ (১৮), মুহাম্মদ (মুনিফের ভাই), আব্দুলাজিজ (২৪), আহমেদ (আব্দুলাজিজের ভাই)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮০০+ অনুসন্ধান আবেদন, ১৩৯ নিহত, ৮৪ হারিয়ে যাওয়া, ১৮ বছর বয়স, ৬ বছর ধরে হারিয়ে যাওয়া
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!