📌 ইরান-সমর্থিত হুথীদের সাথে যেমেন সরকারের যুদ্ধে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী কাসিম বুহাইবেহ জানান, ১৯.৩ কোটি মানুষ স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন হলেও মাত্র ১৭% অর্থ পৌঁছেছে। চিকিৎসা কেন্দ্রের ৫০% কম কার্যক্ষমতা এবং রোগ-বিমারির বিস্তার হুমকি হিসেবে দাঁড়িয়েছে
ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সাথে যেমেন সরকারের চলমান যুদ্ধে দেশটির স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে। স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রী কাসিম বুহাইবেহ আল জাজীরার সাথে কথা বলতে গিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অর্থের অভাবের কারণে স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, ঔষধ ও সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে এবং জ্বালানির অভাবে চিকিৎসা পরিষেবা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়াও, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুতদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, যা ইতিমধ্যে দুর্বল অবস্থায় থাকা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো চাপিয়ে দিচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১৯.৩ কোটি মানুষের** স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজন হলেও মাত্র **১৭% অর্থ** পৌঁছেছে, যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে
- 📌 **৫০% কম** স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা রয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুমান করেছিল **৬০%**
- 📌 **জুন থেকে ২২ সেপ্টেম্বর** পর্যন্ত **১,৩৪,৫৫০ জন** বাস্তুচ্যুত হয়েছে, যার অধিকাংশ **তাইজ, লাহিজ ও আদেন** এলাকায়
- 📌 **হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকায়** প্রায় **১ বছর** ধরে স্বাস্থ্য ডেটা সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে
- 📌 **২৭,০০০+ মেসলস** রোগের ঘটনা ২০২৫ সালে নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে **৫ বছরের নিচে ৫০%** শিশু **ক্রনিক ম্যালনিউট্রিশন**ে আক্রান্ত
- 📌 **চোলেরা, মেসলস ও পোলিও** রোগের বিস্তার হচ্ছে, যা বাস্তুচ্যুতি ও পুষ্টিহীনতার সাথে মিলে স্বাস্থ্য সংকটকে আরো তীব্র করেছে
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রী কাসিম বুহাইবেহ আল জাজীরার সাথে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, অর্থের অভাবের কারণে স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন, **এমার্জেন্সি সেবা, মাতৃ-শিশু স্বাস্থ্য, টিকা ও পুষ্টি পরিষেবা, ডায়ালিসিস ও ক্যান্সার চিকিৎসা** সবই হুমকির মুখে রয়েছে। বুহাইবেহ জানান, **জুন ২০২৬-এর ডেটা অনুযায়ী**, বাস্তুচ্যুতদের সংখ্যা **১,৩৪,৫৫০ জন** হয়েছে, যার অধিকাংশ **তাইজ, লাহিজ ও আদেন** এলাকায়। এসব এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র ইতিমধ্যে দুর্বল অবস্থায় ছিল, আর বাস্তুচ্যুতদের প্রবাহ তা আরো দুর্বল করেছে।
তিনি আরও জানান, **হুথি-নিয়ন্ত্রিত এলাকায়** প্রায় **১ বছর** ধরে স্বাস্থ্য ডেটা সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে, যা সরকারকে দেশব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সম্পূর্ণ চিত্র পেতে বাধা দেয়। এছাড়াও, **ম্যালনিউট্রিশন, টিকা ছাড়াই থাকা এবং বাস্তুচ্যুতি** মিলে **চোলেরা, মেসলস ও পোলিও** রোগের বিস্তার ঘটছে। ২০২৫ সালে **২৭,০০০+ মেসলস** রোগের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, এবং **৫ বছরের নিচে ৫০%** শিশু **ক্রনিক ম্যালনিউট্রিশন**ে আক্রান্ত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) জানিয়েছে, **সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া যুদ্ধে** **১,৩০,০০০ জন** (৩০,০০০ পরিবার) **৭টি গভর্নরেটে** বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বুহাইবেহ বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়লে **১৯.৩ কোটি মানুষের** জীবন বিপদে পড়তে পারে।
"আমরা দেখছি, অর্থের অভাবের কারণে স্বাস্থ্য কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। এছাড়াও, বাস্তুচ্যুতদের প্রবাহ আরো চাপ সৃষ্টি করছে। যদি এই অবস্থা অব্যাহত থাকে, তাহলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়তে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যেমেন (তাইজ, লাহিজ, আদেন গভর্নরেটসহ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: কাসিম বুহাইবেহ (স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯.৩ কোটি (স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয় মানুষ), ১৭% (অর্থ পৌঁছেছে), ৫০% (স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা), ১,৩৪,৫৫০ (বাস্তুচ্যুত), ২৭,০০০+ (মেসলস রোগ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!