📌 ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতা রশাদ আল-আলিমি ঘোষণা করেছেন, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চল পুনরুদ্ধারের জন্য সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। সামরিক কর্মকাণ্ডে হুথি বিদ্রোহীদের ৭০০-এরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে
ইয়েমেনের সরকারি নেতা রশাদ আল-আলিমি রোববার ঘোষণা করেছেন, ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চল থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী সামরিক অভিযান শুরু করেছে। এই অভিযানের লক্ষ্য হলো দেশের পুরো অঞ্চলে সরকারের কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধার করা। আল-আলিমি বলেছেন, সরকারি বাহিনী এবং সকল সামরিক ইউনিটের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, একটি অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুসারে হুথিদের দখল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য কাজ শুরু করতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতা রশাদ আল-আলিমি ঘোষণা করেছেন, সরকারি বাহিনী হুথি বিদ্রোহীদের দখলকৃত অঞ্চল থেকে মুক্তি পেতে সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
- 📌 সরকারি বাহিনী ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়েছে, যার ফলে অন্তত ৭০০ হুথি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
- 📌 সৌদি-নেতৃত্বাধীন গठবন্ধন বলেছে, হুথিদের “বাহ্যিক রাজনৈতিক মক্কেল” দেশে “অনিশ্চয়তা ও ধ্বংস” সৃষ্টি করেছে।
- 📌 সৌদি-নেতৃত্বাধীন গঠবন্ধন ৯৭টি সুনির্দিষ্ট আক্রমণ চালিয়েছে হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে, যার মধ্যে ছিল বিমান, ড্রোন, আর্টিলারি, মিসাইল এবং স্নাইপার গুলি।
- 📌 ২০২২ সালের একটি অস্থায়ী শান্তি চুক্তি ভাঙ্গার পর থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত তীব্র হয়েছে, যার ফলে লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রশাদ আল-আলিমি রোববার একটি টেলিভিশন বক্তৃতায় বলেছেন, সরকারি বাহিনী দেশের পুরো অঞ্চলে “রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধার” করার লক্ষ্যে কাজ করবে। তিনি আরও বলেছেন, “আমরা সকল সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে একটি অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুসারে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে দেশটি হুথিদের দখল থেকে মুক্ত হয়।” তিনি আরও বলেছেন, “সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যতক্ষণ না মিশন সম্পন্ন হয় এবং বিজয় অর্জিত হয়।”
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল মাজেদ আব্দুল্লাহ আল-নাজিলি শনিবার জানিয়েছেন, সরকারি বাহিনী শনিবার হুথি অবস্থান, গতিবিধি ও সামরিক ক্ষমতা ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ চালিয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই আক্রমণে অন্তত ৭০০ হুথি বিদ্রোহী নিহত হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন গঠবন্ধনের মুখপাত্র তুরকি আল-মালিক বলেছেন, হুথিদের “বাহ্যিক রাজনৈতিক মক্কেল” ইয়েমেনে “অনিশ্চয়তা ও ধ্বংস” সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেছেন, হুথিদের এই অবস্থান দেশের জন্য ক্ষতিকর।
সৌদি-নেতৃত্বাধীন গঠবন্ধন রোববার জানিয়েছে, তাদের বাহিনী হুথি বাহিনীর বিরুদ্ধে টোর আল-বাহা ফ্রন্ট এবং তাইজ অক্ষে ৯৭টি সুনির্দিষ্ট আক্রমণ চালিয়েছে। এই আক্রমণে ব্যবহার করা হয়েছে বিমান, ড্রোন, আর্টিলারি, মিসাইল ও স্নাইপার গুলি।
২০১৪ সালে হুথি বিদ্রোহীরা ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নেয়ার পর থেকে দেশটি যুদ্ধের মধ্যে রয়েছে। সরকারি বাহিনী সানা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়ার পর থেকে তারা আডেনে অবস্থান করছে।
"রাষ্ট্রের কর্তৃত্ব ও এর প্রতিষ্ঠানগুলির কর্তৃত্ব পুরো জাতীয় অঞ্চলে পুনরুদ্ধার করা হবে"
"আমরা সকল সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীকে একটি অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুসারে কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে দেশটি হুথিদের দখল থেকে মুক্ত হয়"
"সকল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে পূর্ণ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, যতক্ষণ না মিশন সম্পন্ন হয় এবং বিজয় অর্জিত হয়"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (হুথি-দখলকৃত অঞ্চল, টোর আল-বাহা ফ্রন্ট, তাইজ অক্ষ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রশাদ আল-আলিমি (ইয়েমেনের রাষ্ট্রপতি নেতা), মেজর জেনারেল মাজেদ আব্দুল্লাহ আল-নাজিলি (গভর্নমেন্ট বাহিনীর মুখপাত্র), তুরকি আল-মালিক (সৌদি-নেতৃত্বাধীন গঠবন্ধনের মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫৭টি সুনির্দিষ্ট আক্রমণ, ৭০০ হুথি নিহত, ৯৭টি সুনির্দিষ্ট আক্রমণ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!