📌 ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সৌদি আরবের সমর্থনে হুতি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান ঘোষণা করেছেন। অভিযানের লক্ষ্য হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকার পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা। সৌদি আরব দক্ষিণ ইয়েমেনের সংকট সমাধানে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করছে
ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রাশাদ আল-আলিমি সৌদি আরবের সমর্থনে হুতি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান ঘোষণা করেছেন। এই অভিযানের মাধ্যমে দেশটির অবশিষ্ট ভূখণ্ড পুনরুদ্ধার এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সামরিক পদক্ষেপ শুরু হয়েছে। লন্ডন থেকে প্রকাশিত মধ্যপ্রাচ্যের সংবাদমাধ্যম আশারক আল–আওসাতের খবরে জানা গেছে, আল-আলিমি গত রোববার (৫ অক্টোবর ২০২৬) দেশের জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছেন এবং সামরিক অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **সামরিক অভিযানের ঘোষণা**: রাশাদ আল-আলিমি ইয়েমেনের রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে হুতি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান ঘোষণা করেছেন।
- 📌 **সৌদি আরবের ভূমিকা**: সৌদি আরব এই অভিযানে কূটনৈতিক সমর্থন এবং দক্ষিণ ইয়েমেনের সংকট সমাধানে সংলাপের মাধ্যমে ভূমিকা পালন করছে।
- 📌 **হুতি মিলিশিয়াদের উদ্দেশ্য**: আল-আলিমি হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকার বাসিন্দাদেরকে সতর্ক করেছেন, তাদের সামরিক অবস্থান থেকে দূরে থাকার এবং সন্তানদের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
- 📌 **রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনরুদ্ধার**: অভিযানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুনরুদ্ধারকৃত এলাকায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবে, যার মধ্যে বেতন পরিশোধ, অবকাঠামো মেরামত এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অন্তর্ভুক্ত।
- 📌 **সাফল্যের মাপকাঠি**: আল-আলিমি বলেছেন, সাফল্য মাপার মানদণ্ড হবে কতজন নাগরিক নিরাপত্তা ফিরে পেয়েছেন এবং কতটি পরিবার তাদের বাড়িতে ফিরতে পেরেছে, না যে কতটি শহর পুনরুদ্ধার হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
রাশাদ আল-আলিমি ভাষণে বলেছেন, ইয়েমেনের রাষ্ট্র ও তার প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যতক্ষণ না দেশকে সন্ত্রাসী মিলিশিয়াদের কবল থেকে মুক্ত করা হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত এই অভিযান চলতে থাকবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, এই অভিযানের লক্ষ্য হুতি মিলিশিয়াদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার বাসিন্দাদের নয়, বরং রাষ্ট্র ও তার নাগরিকদের জন্য। তিনি হুতি মিলিশিয়াদের বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়ার অবসান ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
আল-আলিমি হুতি মিলিশিয়াদের উদ্দেশ্যে সরাসরি বার্তা দিয়ে বলেছেন, তাদের সামরিক অবস্থান থেকে দূরে থাকার এবং সন্তানদের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি নিরাপদে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে রাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং হুতি গোষ্ঠীর সঙ্গে অস্ত্র সমর্পণ করে যুদ্ধ বন্ধ করলে তাদের সাধারণ ক্ষমা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আল-আলিমি সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন, পুনরুদ্ধারকৃত এলাকায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি বলেছেন, বেতন পরিশোধ পুনরায় চালু করা, অবকাঠামো মেরামত, বাস্তুচ্যুত মানুষদের ফিরে আসার পরিবেশ তৈরি করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় চালু করা এই অভিযানের অগ্রাধিকার। তিনি বলেছেন, সাফল্য মাপার মানদণ্ড হবে কতজন নাগরিক নিরাপত্তা ফিরে পেয়েছেন এবং কতটি পরিবার তাদের বাড়িতে ফিরতে পেরেছে, না যে কতটি শহর পুনরুদ্ধার হয়েছে।
"রাষ্ট্র শান্তির জন্য যথেষ্ট সময় দিয়েছে এবং বিভিন্ন সুযোগ তৈরি করেছে। কিন্তু হুতি গোষ্ঠী এর জবাবে আরও সামরিক সমাবেশ, উত্তেজনা বৃদ্ধি, হামলা এবং বেসামরিক মানুষ, জাতীয় স্থাপনা, প্রতিবেশী দেশ ও আন্তর্জাতিক নৌপথের বিরুদ্ধে হুমকি অব্যাহত রেখেছে।" — **রাশাদ আল-আলিমি**
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইয়েমেন (রাষ্ট্রীয় সরকার), লন্ডন (সংবাদমাধ্যম), সৌদি আরব (সমর্থন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশাদ আল-আলিমি (প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ অক্টোবর ২০২৬ (ঘোষণার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!