📌 ইরান-সহায়তা পাওয়া হুথি গোষ্ঠী ও সৌদি আরব-সমর্থিত যেমেন সরকারের মধ্যে লড়াই পুনরায় তীব্রতা পেয়েছে। সংযুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুনবার্গ বলেছেন, দেশটি আবার পুরো-পরিমাণ যুদ্ধে ফিরে গেছে। বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই চলছে, যেখানে ১৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে
ইরান-সহায়তা পাওয়া হুথি গোষ্ঠী ও সৌদি আরব-সমর্থিত যেমেন সরকারের মধ্যে লড়াই পুনরায় তীব্রতা পেয়েছে এবং দেশটি আবার পুরো-পরিমাণ যুদ্ধে ফিরে গেছে। সংযুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত হ্যান্স গ্রুনবার্গ সংযুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদের সামনে বলেছেন, যেমেনে "পুরো-পরিমাণ যুদ্ধ" শুরু হয়েছে। এই লড়াইয়ে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সৌদি আরব-সমর্থিত যেমেন সরকারের সামরিক অভিযান তীব্রতা পেয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক নৌপরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সৌদি আরব-সমর্থিত যেমেন সরকার হুথি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে "ফজরুল ইয়েমেন" অভিযানের মাধ্যমে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করছে, যার মধ্যে রয়েছে সানা এবং বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ।
- 📌 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২,৭৫০টি সঠিক আক্রমণ চালিয়ে হুথি গোষ্ঠীর ১,৪০০ জনেরও বেশি লড়াকুকে "নিরস্ত্র" করা হয়েছে, বলে দাবি করেছে যেমেন সরকার।
- 📌 সৌদি আরবের রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথির আক্রমণে তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন পাইলটও রয়েছেন।
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসে লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে ২০০,০০০ জনেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৪৬ জন সিভিলিয়ান নিহত হয়েছে, যার মধ্যে অনেকেই শিশু।
- 📌 বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইট বর্তমানে লড়াইয়ের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে, যেখানে হুথি গোষ্ঠী এবং সৌদি আরব-সমর্থিত সরকারের মধ্যে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ চলছে।
📰 বিস্তারিত
বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইট, যা লাল সাগরের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক নৌপরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রুট। এই অঞ্চলে সৌদি আরবের উপর নির্ভরতা বেড়েছে, কারণ ইরান-ইসরায়েলের সংঘর্ষের কারণে হরমুজ নরওয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। সৌদি আরবের এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক নৌপরিবহনের উপর নির্ভরতা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সৌদি আরব-সমর্থিত যেমেন সরকারের সামরিক অভিযান "ফজরুল ইয়েমেন" শুরু হয়েছে, যার লক্ষ্য হুথি গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন সমস্ত অঞ্চল পুনরুদ্ধার করা, যার মধ্যে রয়েছে সানা, যেমেনের রাজধানী। এই অভিযানে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২,৭৫০টি সঠিক আক্রমণ চালানো হয়েছে, যার ফলে হুথি গোষ্ঠীর ১,৪০০ জনেরও বেশি লড়াকুকে "নিরস্ত্র" করা হয়েছে, বলে দাবি করেছে যেমেন সরকারের সামরিক মুখপাত্র মেজর জেনারেল মাজিদ আল-নুজাইলি।
হুথি গোষ্ঠী, যারা ২০১৪ সাল থেকে সানা এবং উত্তর-পশ্চিম যেমেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ দখল করে নেয়। এই অঞ্চলে লড়াইয়ের ফলে মোচা এবং দুবাব শহর দুটি গুরুত্বপূর্ণ রণাঙ্গন হয়ে উঠেছে। এই শহর দুটি লাল সাগরের তীরে অবস্থিত এবং বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
হুথি গোষ্ঠী, যারা জটিল অস্ত্র ব্যবস্থা বিকশিত করেছে, সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মিসাইল এবং ড্রোন আক্রমণ চালিয়ে আসছে। শুক্রবার, সৌদি আরবের বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হুথির আক্রমণে রিয়াদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তিনজন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছে, যার মধ্যে একজন পাইলটও রয়েছেন। এটি সৌদি আরবে লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথম মৃত্যু।
"বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াইয়ে ফিরে গেছে পুরো-পরিমাণ যুদ্ধ"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাব আল-মন্দেব স্ট্রেইট, মোচা, দুবাব, সানা (যেমেন), রিয়াদ (সৌদি আরব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হ্যান্স গ্রুনবার্গ (সংযুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত), মেজর জেনারেল মাজিদ আল-নুজাইলি (যেমেন সরকারের সামরিক মুখপাত্র)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২,৭৫০টি আক্রমণ, ১,৪০০ জন নিরস্ত্রকৃত হুথি লড়াকু, ২০০,০০০ জন বাস্তুচ্যুত, ৪৬ জন সিভিলিয়ান নিহত, ১৩০ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!