📌 ভারত সরকার যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান থেকে বাদ দিলে সিজেপি নেতা-কর্মীরা ব্যারিকেড টপকে প্রতিবাদে অংশ নিলে পুলিশ তাদের আটক করে। অভিজিত দীপ সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন
ভারতের দিল্লিতে যন্তর মন্তরে ঝটিকা প্রতিবাদে সিজেপি (ককোরোচ জনতা পার্টি) নেতা-কর্মীদের পুলিশ আটক করেছে। ভারত সরকার যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার একদিন পরই এই প্রতিবাদ সংগঠিত হয়। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখিয়েছেন যে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের নেতৃত্বে কর্মীরা ব্যারিকেড ও লোহার গেট ডিঙিয়ে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে ধাওয়া করে আটক করে নিয়ে যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যন্তর মন্তরে ঝটিকা প্রতিবাদ: সিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ও গেট টপকে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে।
- 📌 সিজেপি নেতা অভিজিত দীপের উদ্ধৃতি: “আইনি আদেশ দিয়ে প্রতিরোধ নিষিদ্ধ করা যায় না। সরকারের ভয়ই প্রকাশ পেয়েছে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান থেকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে।”
- 📌 প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা: অভিজিত দীপ বলেন, “যন্তর মন্তরে সমাবেশ নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে সরকার আন্দোলন থামাতে চায়, কিন্তু পুরো দেশে যন্তর মন্তর গড়ে উঠবে।”
- 📌 গত ১০ অক্টোবরও আটক: সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিত দীপ, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর আটক করা হয়েছিল।
- 📌 নতুন বিক্ষোভ স্থান: সরকার যন্তর মন্তর বাদ দিয়ে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড নির্ধারণ করেছে।
📰 বিস্তারিত
ভারত সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সিজেপি কর্মীরা যন্তর মন্তরে ঝটিকা প্রতিবাদে অংশ নেয়। দিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তরকে কেন্দ্রীয় সরকার বিক্ষোভের স্থান হিসেবে বাতিল করার একদিন পরই এই প্রতিবাদ সংগঠিত হয়। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখিয়েছেন যে, কর্মীরা ব্যারিকেড ও লোহার গেট ডিঙিয়ে বিক্ষোভস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। তারা ‘ভারত মাতা কি জয়’ ও ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিয়েছিলেন। পুলিশ তাদের বাধা দিয়ে ধাওয়া করে আটক করে নিয়ে যায়।
সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত দীপ সরকারের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “আপনারা আইনি আদেশ দিয়ে প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান থেকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের ভয়ই প্রকাশ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভাবছেন যন্তর মন্তরে সমাবেশ করতে না দিলে আন্দোলন থেমে যাবে, কিন্তু তা হওয়ার নয়। এখন পুরো দেশজুড়েই যন্তর মন্তর গড়ে উঠবে।’
গত ১০ অক্টোবরও সিজেপি যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল। সেদিন সকালে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই উড়োজাহাজের ভেতর থেকে অভিজিত দীপ, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে আটক করা হয়েছিল। এরপর থেকে যন্তর মন্তর এলাকাটি ঘিরে ফেলে দিল্লি পুলিশ এবং আন্দোলনকারীদের প্রবেশ ঠেকাতে শক্ত ব্যারিকেড গড়ে তোলে। গত শনি ও রোববার দিল্লির রাজপথে ব্যাপক বিক্ষোভ ও আন্দোলনের জেরে হাজার হাজান মানুষকে আটক করে পুলিশ।
সরকারের পক্ষ থেকে জাতীয় রাজধানীতে প্রতিবাদের জন্য নতুন তিনটি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে: রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান ও পূর্ব দিল্লির সিবিডি গ্রাউন্ড। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পুননিরীক্ষণ (এসআইআর) বিতর্ককে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’ এবং সিজেপির ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্যেই।
"আপনারা আইনি আদেশ দিয়ে প্রতিরোধকে নিষিদ্ধ করতে পারেন না। প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, ‘যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের স্থান থেকে বাদ দেওয়ার মাধ্যমে সরকারের ভয়ই প্রকাশ পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হয়তো ভাবছেন যন্তর মন্তরে সমাবেশ করতে না দিলে আন্দোলন থেমে যাবে, কিন্তু তা হওয়ার নয়। এখন পুরো দেশজুড়েই যন্তর মন্তর গড়ে উঠবে।'
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যন্তর মন্তর, দিল্লি, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অভিজিত দীপ, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ অক্টোবর (গত বিক্ষোভের তারিখ), ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (ফ্রিজের তাপমাত্রা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!