📅 ৮ অক্টোবর ২০২৬, ৫:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজা শাসন: ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পর কে করবে প্রশাসনিক দায়িত্ব?

গাজা শাসন: ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পর কে করবে প্রশাসনিক দায়িত্ব?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পর গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি এখনো সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না। ইসরায়েলের শর্তাবলি ও হামাসের বিলুপ্তিকরণের দাবির কারণে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর সংকট চলছে

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পূর্ণ হলেও গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি এখনো সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না। এই বিলম্ব গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি গভীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকটের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলের শর্তাবলি ও হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রকরণের দাবির কারণে গাজার প্রশাসনিক কমিটি কখনোই কার্যকরভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারছে না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তির এক বছর পূর্ণ হলেও ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি এখনো গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না।
  • 📌 জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাব অনুযায়ী গঠিত আলী শাথের সভাপতিত্বাধীন কমিটি কায়রোতে অবস্থান করছে এবং ইসরায়েলের অনুমতি অপেক্ষায় আছে।
  • 📌 ইসরায়েল গাজার প্রায় ৭০ শতাংশ অঞ্চল নিজের নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং প্রশাসনিক কমিটিকে শর্তাবলি মেনে নেওয়ার জন্য বাধ্য করছে।
  • 📌 ইসরায়েলি গবেষক মোহাম্মদ দারাগমেহ আবু আলান বলেছেন, ইসরায়েলের শর্তগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে পূরণের কোনো প্রমাণ দিতে পারা যাবে না।
  • 📌 ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামাসের সম্পূর্ণ নিরস্ত্রকরণ না হওয়া পর্যন্ত গাজা থেকে পিছু হটতে রাজি নয়।
  • 📌 ফিলিস্তিনি বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কাররা মনে করেন, বর্তমান স্থবিরতা অন্তত চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকবে।
  • 📌 সংঘাত বিষয়ক গবেষক সাইদ আবু রহমা বলেছেন, গাজাকে যুক্ত করে একটি ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা উচিত, নয়তো পৃথক প্রশাসন তৈরি করা।

📰 বিস্তারিত

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। সেই চুক্তির আলোকে গাজায় প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের জন্য গঠিত ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি এখনো দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারছে না। এই কমিটি কায়রোতে অবস্থান করছে এবং গাজায় প্রবেশের জন্য ইসরায়েলের অনুমতি অপেক্ষায় আছে। ফিলিস্তিনি বিশ্লেষকদের মতে, এই বিলম্ব গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে একটি গভীর সমস্যার প্রতীক।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাবের অধীনে গত জানুয়ারিতে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সাবেক উপমন্ত্রী ও প্রকৌশলী আলী শাথের সভাপতিত্বে ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা গঠন করা হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার মাধ্যমে এটি অনুমোদিত হয় এবং ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত গাজার রূপান্তর পর্যবেক্ষণের জন্য ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অব পিসকে কর্তৃত্ব দেওয়া হয়।

কমিটিকে জায়গা করে দিতে হামাস জুলাই মাসে তাদের শাসন পরিচালনা পরিষদ ভেঙে দেয়, কিন্তু ইসরায়েল এখনও কমিটিকে গাজায় প্রবেশ করতে দেয়নি। যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রথম ধাপে তথাকথিত ‘হলুদ রেখা’র পেছনে গাজার ৫৩ শতাংশ অঞ্চল ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা থাকলেও, তারা এখন ভূখণ্ডটির প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। ইসরায়েলি বিষয়ক গবেষক মোহাম্মদ দারাগমেহ আবু আলান বলেন, ইসরায়েলের শর্তগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে পূরণের কোনো প্রমাণ দিতে পারা যাবে না।

বোর্ড অব পিস জানিয়েছে তারা হামাসকে তাদের কাজের ভিত্তিতে বিচার করবে এবং ‘এক কর্তৃত্ব, এক আইন এবং এক অস্ত্র’-এর ওপর জোর দেবে। লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কাররা ধারণা করছেন, ইসরায়েল উপত্যকার ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা এবং কমিটি বাইরে আটকে থাকার এই বর্তমান স্থবিরতা অন্তত চলতি বছরের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকবে।

"গাজা প্রশাসনিক কমিটির ইসরায়েলের মেনে নেওয়ার শর্ত হলো—হত্যাকাণ্ড এবং যেকোনো তাৎক্ষণিক হুমকি নস্যাৎ করাসহ সমগ্র গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ইচ্ছামতো ব্যবস্থা নেওয়ার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। আর ঠিক এই কারণগুলো দেখিয়েই ইসরায়েল গাজার যেকোনো প্রকৃত সমাধান প্রত্যাখ্যান করে আসছে।"

ফিলিস্তিনি বিশ্লেষক সাইদ আবু রহমা বলেছেন, চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত গাজাকে যুক্ত করে একটি ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্র গঠনের পথে হাঁটা। তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে ছাড়া ফিলিস্তিনের রাজনৈতিক ব্যবস্থা নতুন করে গড়ে তোলার কথা ভাবা কঠিন, ঠিক তেমনই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর্তৃপক্ষের সাথে কোনো সম্পর্ক না রেখে গাজার কথা ভাবাও অসম্ভব।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গাজা উপত্যকা, ইসরায়েল, কায়রো
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলী শাথের, ডোনাল্ড ট্রাম্প, মোহাম্মদ দারাগমেহ আবু আলান, ইয়াদ আল-কাররা, সাইদ আবু রহমা, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গিদিয়ন সা’আর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ দফা পরিকল্পনা, ৫৩ শতাংশ, ৭০ শতাংশ, ২৮০৩ নম্বর প্রস্তাব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖