📅 ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনে বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হেনস্তা: ‘ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার’ অভিযোগ

পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনে বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হেনস্তা: ‘ভয় দেখিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার’ অভিযোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভারতে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী প্রার্থীদের ও কর্মীদের উপর প্রশাসনিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশি হেনস্তা, পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের চাপের কথা জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীরা

ভারতে পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (৬ অক্টোবর) শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধীদের ও তাদের কর্মীদের উপর প্রশাসনিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী প্রার্থীদের ময়দান থেকে সরিয়ে দিয়ে একতরফা জয়ের রাস্তা সুগম করার অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 হুমায়ুন কবীর ও তার দল আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) অভিযোগ করেছেন, তাদের কর্মী ও সমর্থকদের ক্রমাগত পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে।
  • 📌 রেজিনগরে দলের প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ ও কর্মীদের প্রচার চালাতে গিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
  • 📌 এজেইউপির ‘ডামি’ প্রার্থী সাইফুল আলমসহ চারজন কর্মীকে পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
  • 📌 নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
  • 📌 মিলন প্রধানকে ১৯ বছরের পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার স্ত্রী অর্পিতা প্রধান প্রশ্ন তুলেছেন, কেন নির্বাচনের ঠিক মুখে গ্রেপ্তার করা হলো?
  • 📌 বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, বিরোধীদের কোনো যোগ্য প্রার্থী নেই এবং তারা পরাজয়ের আশঙ্কায় অভিযোগ তুলছে।
  • 📌 পুলিশ বলেছে, সব আইনি পদক্ষেপ নিয়ম মেনেই নেওয়া হচ্ছে। তবে বিরোধীদের দমিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাধারণ ভোটারদের মনে নির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

📰 বিস্তারিত

পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (৬ অক্টোবর) বিরোধী প্রার্থীদের ও তাদের কর্মীদের উপর প্রশাসনিক হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধী দলের কর্মীদের পুলিশি হেনস্তা, পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার ও মনোনয়ন প্রত্যাহারের চাপের কথা জানিয়েছেন বিরোধী দলের নেতা ও কর্মীরা।

আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি)র প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর বলেছেন, তাদের দলের কর্মী ও সমর্থকদের ক্রমাগত পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে। রেজিনগরে দলের প্রার্থী গোলাম নবী আজাদ ও কর্মীদের প্রচার চালাতে গিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এমনকি দলের ‘ডামি’ প্রার্থী সাইফুল আলমসহ চারজন কর্মীকে পুরোনো মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল রূপ নিয়েছে যে, মাঠের প্রচার বন্ধ করে কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে এজেইউপি।

নন্দীগ্রামে মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসর মনোনীত প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই নিজের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর পরপরই তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ১৯ বছরের পুরোনো একটি মামলায় নাটকীয়ভাবে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মিলন প্রধানের স্ত্রী অর্পিতা প্রধান সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন, এত দিন বাইরে থাকা সত্ত্বেও কেন নির্বাচনের ঠিক মুখে তাঁর স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হলো।

রেজিনগরের অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ রবিউল আলম চৌধুরী প্রথমে পুলিশি হেনস্তা ও কর্মীদের সুরক্ষার অভাবে নাম প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে পরবর্তীতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাসে তিনি লড়াইয়ে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গেরুয়া শিবিরের এমন কৌশল নতুন নয়। ইতিপূর্বে গুজরাট, উত্তর প্রদেশ ও অরুণাচল প্রদেশের মতো রাজ্যেও উপনির্বাচনে বিজেপি সুকৌশলে এ ধরনের পথ অবলম্বন করে সুবিধা পেয়েছিল।

বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ দাবি করেছেন, উপনির্বাচনে ওই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে বিরোধীদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তিনি বলেছেন, কেবল পরাজয়ের আশঙ্কায় বিরোধীরা এ ধরনের অমূলক অভিযোগ তুলে রাজনীতি করার চেষ্টা করছেন। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সব আইনি পদক্ষেপ নিয়ম মেনেই নেওয়া হচ্ছে এবং দীর্ঘদিনের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। তবে বিরোধীদের দমিয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাধারণ ভোটারদের মনে উপনির্বাচনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

"তাঁর দলের কর্মী ও সমর্থকদের ক্রমাগত পুলিশি হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্র, ভারত
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হুমায়ুন কবীর, গোলাম নবী আজাদ, সঞ্চিতা প্রধান দে, মিলন প্রধান, অর্পিতা প্রধান, শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষ, রবিউল আলম চৌধুরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ অক্টোবর (উপনির্বাচন তারিখ), ১৯ বছর (পুরোনো মামলার বয়স)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖