📅 ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মাদুরো ও স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের 'কটু আচরণ পরিকল্পনা' মামলায় অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি

মাদুরো ও স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রের 'কটু আচরণ পরিকল্পনা' মামলায় অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি

📷 ছবি: আল জাজিরা

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Al Jazeera ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস যুক্তরাষ্ট্রের একটি মামলায় 'কটু আচরণ পরিকল্পনা' দায়ে অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি করেছেন। তারা জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে কারাকাস থেকে অপহরণের পর নিউইয়র্কের আদালতে উপস্থিত হয়ে এই দাবি জানিয়েছেন

ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরো এবং তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস যুক্তরাষ্ট্রের একটি নতুন মামলায় 'কটু আচরণ পরিকল্পনা' দায়ে অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি করেছেন। মাদুরো ও ফ্লোরেস গত শুক্রবার নিউইয়র্ক সিটির একটি আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন, যেটি জানুয়ারিতে কারাকাস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে তাদের অপহরণের পর।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মাদুরো ও ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে 'কটু আচরণ পরিকল্পনা' দায়ে নতুন মামলায় অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি করেছেন।
  • 📌 তারা আগে থেকেই 'নারকো-টেররিজম', 'কোকেইন আমদানি পরিকল্পনা' এবং 'মেশিনগান ও ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ধারণ' দায়ে অপরাধী বলে স্বীকার না করে দাবি করেছিলেন।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অনুযায়ী, মাদুরো ও ফ্লোরেসের নেতৃত্বে ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে 'কটু আচরণ', 'অনিয়মিত গ্রেফতার' এবং 'বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা' চালানো হত।
  • 📌 মাদুরোর নির্দেশে ২০১৪ সালে গ্রেফতারের শিকার সামরিক কর্মকর্তাদের 'আরো বেশি চাপ দেওয়া' এবং 'নিদ্রাহীন রাখা' সহ বিভিন্ন কটু আচরণের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে।
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদুরো ও ফ্লোরেসের শাসনামলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের 'মারধর', 'বিদ্যুৎ চাপানো' এবং 'পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া' হত।

📰 বিস্তারিত

মাদুরো জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে কারাকাস থেকে অপহরণের পর গত জানুয়ারিতে আদালতে উপস্থিত হয়ে বলেছিলেন, “আমি অপরাধী নই। আমি নিরাপদ মানুষ। আমি আমার দেশের রাষ্ট্রপতি। আমি অপহরণের শিকার হয়েছি।” যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেমস ম্যাকডোনাল্ড গত সপ্তাহে বলেছিলেন, “এই দম্পতিরা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কটু আচরণের পরিকল্পনা, নারকোটিক্স ব্যবসা এবং অস্ত্রের অপরাধে জড়িত ছিল।”

নতুন অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদুরো ও ফ্লোরেসের নেতৃত্বে একটি কটু আচরণের ব্যবস্থা ছিল, যা ‘অনিয়মিত গ্রেফতার’ এবং ‘বিরোধী রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সহিংসতা’ চালানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হত। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদুরো ও ফ্লোরেস নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে কটু আচরণের নির্দেশ দিয়েছিলেন, তাদের অবস্থা সম্পর্কে আপডেট চেয়েছিলেন বা কটু আচরণের পদ্ধতি সুপারিশ করেছিলেন।

২০১৪ সালে একটি ঘটনায়, মাদুরো গ্রেফতারকৃত সামরিক কর্মকর্তাদের থেকে তথ্য সংগ্রহের জন্য বলেছিলেন, “তাদের আরো বেশি চাপ দাও।” অন্য একটি ঘটনায়, মাদুরো নিদ্রাহীন রাখা এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের উপর জল ঢালার পদ্ধতি সুপারিশ করেছিলেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, মাদুরোর শাসনামলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের ‘মারধর’, ‘বিদ্যুৎ চাপানো’ এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া হত।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগে মাদুরো ও ফ্লোরেসকে সরাসরি কটু আচরণে জড়িত বলে অভিযুক্ত করা হয়নি। তবে অভিযোগে বলা হয়েছে, তারা এই ধরনের ব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি মাদুরো ২০১৩ সাল থেকে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তার ২০২৪ সালের নির্বাচনও বিরোধী দল ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল।

"আমি অপরাধী নই। আমি নিরাপদ মানুষ। আমি আমার দেশের রাষ্ট্রপতি। আমি অপহরণের শিকার হয়েছি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: নিউইয়র্ক সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিকোলাস মাদুরো, সিলিয়া ফ্লোরেস, ডেলসি রড্রিগেজ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ বছর (মামলার সময়কাল)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖