📌 ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রড্রিগেজ ইউনিটিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে হাত মিলিয়ে চিত্র তুলেছেন। সাত বছর আগে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক আত্মঘাতী’ নীতির বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু এবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের উন্নতি স্বাগত জানিয়েছেন। এদিকে, নিকোলাস মাদুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেফতার অবস্থায় রয়েছে এবং ২০২৭ সালের জুনে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি ডেলসি রড্রিগেজ নিউ ইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ সভায় (ইউএনজিএ) বক্তৃতা দিয়েছেন। এতে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কের উন্নতি এবং “দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার” স্বাগত জানিয়েছেন। সাত বছর আগে, ২০১৯ সালে, তিনি তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তখন তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক আত্মঘাতী নীতি’র বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন, যা তিনি বলেছিলেন, “বোমা ছুড়তে না দিয়েও, বরং ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে” লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে শাস্তি দেয়। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কে সামরিকীকরণ এবং অন্যান্য দেশের সম্পদ দখলের অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতি ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৩০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ২০১৯ সালে ইউনিটিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ডেলসি রড্রিগেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক আত্মঘাতী নীতি’র বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু এবার তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের উন্নতি স্বাগত জানিয়েছেন।
- 📌 ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি এখন নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় রয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের উন্নতি পেলে ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল প্রমাণিত তেলের অধিকাংশ দখল করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে।
- 📌 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয় এবং মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়।
- 📌 জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ২০২০ সাল পর্যন্ত ১০০,০০০ ভেনেজুয়েলীয়ের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
📰 বিস্তারিত
২০১৯ সালে ইউনিটিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ডেলসি রড্রিগেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নীতি “অর্থনৈতিক আত্মঘাতী” এবং এটি “বোমা ছুড়তে না দিয়েও, বরং ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে” লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে শাস্তি দেয়। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কে সামরিকীকরণ এবং অন্যান্য দেশের সম্পদ দখলের অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি আরও বলেছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ক্ষতি ২০১৫ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ১৩০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
২০২৬ সালের জানুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতি নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয়। এই হামলায় ১০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। মাদুরোকে গ্রেফতার করা হয় এবং তিনি এখন নিউ ইয়র্কের একটি কারাগারে বন্দী অবস্থায় রয়েছে। তিনি ২০২৭ সালের জুনে বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে মাদুরো আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিযোগ করেছেন।
ডেলসি রড্রিগেজের বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের উন্নতি স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা উন্নতির জন্য তিনি খুশি। এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের উন্নতি পেলে ভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল প্রমাণিত তেলের অধিকাংশ দখল করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। ট্রাম্প ইউনিটিতে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেছিলেন, “জয়ীকে পুরস্কার দেওয়া হয়”।
"দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা"
"অর্থনৈতিক আত্মঘাতী নীতি... বোমা ছুড়তে না দিয়েও, বরং ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউ ইয়র্ক সিটি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডেলসি রড্রিগেজ, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নিকোলাস মাদুরো
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩০ বিলিয়ন ডলার (অর্থনৈতিক ক্ষতি), ১০০ জন (মৃত্যুবরণকারী), ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল (তেল), ১০০,০০০ (ভেনেজুয়েলীয় মৃত্যু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!