📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ‘হুমকি’র কারণে প্রায় এক ডজন বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইরান-সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ মার্কিন সূত্র ইরানের সম্ভাব্য হামলা ভয়েই বিমান সরানো হয়েছে বলে মনে করছে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ারফোর্স ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ‘হুমকি’র কারণে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, গতকাল সোমবার থেকে এই বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ‘হুমকি’র কারণে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন নিশ্চিত করেছে যে, গতকাল সোমবার থেকে এই বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
- 📌 ট্রাম্প বলেছেন, ‘সেখানে কিছু হুমকি ছিল। শত্রুকে প্রলুব্ধ করার চেয়ে তাদের বন্দী করা এবং পরাস্ত করাই আমাদের লক্ষ্য।’
- 📌 ইরান-সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, কারণ মার্কিন সূত্র ইরানের সম্ভাব্য হামলা ভয়েই বিমান সরানো হয়েছে বলে মনে করছে।
- 📌 ব্রিটিশ কাউন্টার-টেররিজম পুলিশ তদন্ত করছে এই ঘটনার পিছনে জড়িতদের বিষয়ে।
📰 বিস্তারিত
যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ারফোর্ড ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে ‘কিছু হুমকির’ কারণে মার্কিন বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন। গত রোববার মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন নিশ্চিত করে যে, এই বিমানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ঘাঁটিতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় এক ডজন বি-১ বোমারু বিমান জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল সোমবার নেব্রাস্কার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, একটি ‘হুমকি’র বিষয়ে জানতে পেরেই তাঁরা বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে কিছু হুমকি ছিল। শত্রুকে প্রলুব্ধ করার চেয়ে তাদের বন্দী করা এবং পরাস্ত করাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু শুধু শুধু আমরা বিমানগুলোকে কেন ওখানে ফেলে রাখব? তাই আমরা সেগুলোর অবস্থান কিছুটা বদলেছি। খুব বেশি দূরে নেওয়া হয়নি।’
ব্রিটেনের ডাউনিং স্ট্রিটের একজন মুখপাত্র আরএএফ ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি সম্পূর্ণ নিরাপদ বলে দাবি করেছেন। তবে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য মার্কিন গণমাধ্যমের সেই খবরগুলোকেই নিশ্চিত করছে, যেখানে বলা হয়েছিল, গত ২৭ সেপ্টেম্বর ওই বিমানঘাঁটির কাছে তিনটি ‘সন্দেহভাজন যান’ নিয়ে পুলিশ তৎপর হওয়ার পর একটি বড় ধরনের ঘটনা ঘটে। সেই নতুন হুমকির জের ধরেই বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইরান-সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ওয়াশিংটনের একাধিক সূত্র বিবিসির কাছে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, ইরানের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে এ সংবেদনশীল ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমানগুলো টার্গেট করার পরিকল্পনা করা হতে পারে। প্রতিরক্ষাবিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউট’-এর গবেষণা বিশ্লেষক ক্রিস্টফ বার্গস বলেছেন, ফেয়ারফোর্ড থেকে বিমান সরিয়ে নেওয়ায় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুত আকাশপথে হামলা চালানোর সক্ষমতা কিছুটা কমবে, যা সামগ্রিক উত্তেজনার পারদ কিছুটা নামিয়ে আনতে পারে।
হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র গত বছরের জুনে রাশিয়ার পাঁচটি ঘাঁটিতে ইউক্রেনের চালানো গোপন ড্রোন হামলা বা ‘অপারেশন স্পাইডারওয়েব’-এর উদাহরণ টেনে বলেছেন, শত্রুপক্ষ দূর থেকেও কতটা বড় ক্ষতি করতে পারে, এটি তারই প্রমাণ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্র আরও জানিয়েছেন, বিষয়টি যা-ই হোক, এটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গেই বিবেচনা করা হয়েছে।
ব্রিটিশ কাউন্টার-টেররিজম পুলিশ তদন্ত করছে এই ঘটনার পিছনে জড়িতদের বিষয়ে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রথমে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
"সেখানে কিছু হুমকি ছিল। শত্রুকে প্রলুব্ধ করার চেয়ে তাদের বন্দী করা এবং পরাস্ত করাই আমাদের লক্ষ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রিটেনের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি, যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা, ওয়াশিংটন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডোনাল্ড ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্ট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ ডজন (বোমারু বিমান), ২৭ সেপ্টেম্বর (ঘটনার তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!